কোরবানির মাংস বন্টনের নিয়ম

প্রকাশিত: ৫:২১ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২২, ২০১৮ | আপডেট: ৫:২১:পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২২, ২০১৮

কোরবানি শুরু হয়ে গেছে। আগামী দুই-একদিন এখানে সেখানে কোরবানি দিতে দেখা যাবে। ত্যাগের এই ঈদে কোরবানির মাংস ধর্মীয় নিয়মে বন্টন জরুরি বিষয়। নয়তো এই ঈদের মাহাত্মকে খর্ব করা হবে। এ কাজটি সঠিকভাবে না সম্পন্ন করলে কোরবানি কবুলের শর্ত পূরণ হবে না। এখানে মাংস বন্টনের নিয়ম সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।

১. কোরবানির মাংস তিন ভাগে ভাগ করতে হয়। এ কথা সবাই জানেন। এর এক ভাগ গরিব-মিসকিনদের, এক ভাগ আত্মীয়-স্বজনকে এবং এক ভাগ নিজে খাওয়ার জন্য রাখতে হয়। কাজেই বেশি মাংসের জন্যে বড় আকারের পশু কেনা ভালো। নিজের কাছে এক ভাগের বেশি রাখা উচিত নয়। গরিব ও আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে সমানভাগে ভাগ করা ভালো। তবে অবস্থাসম্পন্ন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে না দিয়ে তা গরীব আত্মীয়দের দেয়া বেশি ভালো।

২. মাংস পরিমাপের ক্ষেত্রে দাড়িপাল্লা ব্যবহার করুন। তাহলে ভাগ যে সমান হলো তা নিশ্চিত করা যাবে।

৩. সবচেয়ে ভালো পশুর প্রতিটা অংশের মাংস, কলিজা ইত্যাদি একসঙ্গে মিশিয়ে ফেলা। তারপর তা সমান তিনভাগে ভাগ করা। তবে কোরবানির মাংস তিন ভাগে বন্টন মুস্তাহাব। আপনি চাইলে পুরোটাই বিলিয়ে দিতে পারেন। চাইলে পুরোটাই নিজের কাছে রাখা দোষের নয়। তবে গরীব, মিসকিন, আত্মীয়দের হক আছে এই মাংসে। কাজেই বিলিয়ে দিলেই মানসিক শান্তি মেলে।

৪. শুধু মাংস নয়, কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রির টাকাতেও হক আছে গরীর মিসকিনদের। কাজেই আপনি এটা বিক্রি করে সেই টাকা দান করতে পারেন।