ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালেও সফল জার্মানির ভ্যাকসিন!

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:০১ অপরাহ্ণ, জুলাই ২, ২০২০ | আপডেট: ৮:০১:অপরাহ্ণ, জুলাই ২, ২০২০

আশা জাগাচ্ছে ওষুধ প্রস্তুকারক সংস্থা Pfizer এবং জার্মান বায়োটেক সংস্থা BioNTech-এর কোভিড ভ্যাকসিন। বুধবার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে মিশ্র ফল মিলেছে।

ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়, যাঁদের উপর এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছে তাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়েছে অনেকটাই। দেহে তৈরি হয়েছে অ্যান্টিবডিও। অনেকের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে তা প্রাণঘাতী নয়।

ফলে সংস্থা দুটির দাবি, তাঁদের তৈরি ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ অনেকাংশেই সফল। যদিও চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহারের আগে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।

হাসপাতালে ভর্তি মোট ৪৫ জন করোনা রোগীর দেহে ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করা হয়। এদের প্রথম ১২ জনকে ১০ মাইক্রোগ্রামের ডোজ, দ্বিতীয় ১২ জনকে ৩০ মাইক্রোগ্রামের এবং তৃতীয় ১২ জনকে ১০০ মাইক্রোগ্রাম ডোজ প্রয়োগ করা হয়।

পরীক্ষায় দেখা গেছে, ১০০ মাইক্রোগ্রামের ডোজ প্রয়োগকৃত রোগীদের মধ্যে অনেকেরই জ্বর, মাথাব্যথা, ঘুম নষ্ট হওয়ার মতো একাধিক উপসর্গ দেখা দিয়েছে। তিন সপ্তাহ পর এদের আর দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়নি। এ ছাড়া ১০ মাইক্রোগ্রামের ডোজ প্রয়োগকৃত রোগীদের ৮ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ৩০ মাইক্রোগ্রাম প্রয়োগকৃতদের ৭৫ শতাংশের জ্বর এসেছে।

সব মিলিয়ে ৫০ শতাংশ রোগীর মধ্যে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে এসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কোনোটিই প্রাণঘাতী নয়, এমনকি হাসপাতালে ভর্তি করার মতোও নয়। বাকি ৫০ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে পিফিজারের ক্লিনিক্যাল ভ্যাকসিন রিসার্চ বিভাগের ভাইস-প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম গ্রুবার বলেন, ভ্যাকসিনটি প্রয়োগে আক্রান্ত রোগীর শরীরে এমন কিছু অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে, যা জীবাণুকে ধ্বংস করতে সক্ষম। এটি সুস্থ হয়ে উঠা রোগীর দেহে অ্যান্টিবডির পরিমাণ ১.৮-২৮ গুণ বাড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। ফলে এটি নিয়ে আমি অনেক বেশি আশান্বিত।