কয়লা খনির সাবেক দুই এমডিকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১:০০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৯, ২০১৮ | আপডেট: ১:০০:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৯, ২০১৮

টিবিটি জাতীয়: খনি থেকে কয়লা চুরির ঘটনায় দায়ের করা দুর্নীতির মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) সাবেক দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তারা হলেন- কামরুজ্জামান ও মাহবুবুর রহমান।

রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত দুদকের পরিচালক কাজী শফিকুল আলম ও উপপরিচালক সামসুল আলমের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্রাচার্য বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের জিজ্ঞসাবাদে সাবেক এমডি কামরুজ্জামান বলেছেন, তিনি যখন দায়িত্বে ছিলেন তখন কয়লা চুরির ঘটনা ঘটেনি। তিনি কয়লার হিসাব দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের বুঝিয়ে দিয়ে খনি ত্যাগ করেন।

এর আগে গত দুই সপ্তাহে বিসিএমসিএলের সাবেক চার এমডি এস এম নুরুল আওরঙ্গজেব, প্রকৌশলী খুরশীদুল হাসান, আমিনুজ্জামান ও মিজানুর রহমান এবং মহাব্যবস্থাপক (সারফেস অপারেশন) সাইফুল ইসলাম সরকারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

এছাড়া গত বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশনের (পেট্রোবাংলা) সাত কর্মকর্তাকে।

যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তারা হলেন- উপমহাব্যবস্থাপক (মেনটেইনেন্স অ্যান্ড কন্টাক্ট ম্যানেজমেন্ট) মো. নাজমুল হক, ব্যবস্থাপক (কোল হ্যান্ডেলিং ম্যানেজমেন্ট) মো. শোয়েবুর রহমান, ব্যবস্থাপক (প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট) মো. সাইদ মাসুদ, উপব্যবস্থাপক (মেনটেন্যান্স অ্যান্ড অপারেশন) মো.মাহাবুব হোসেন, সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট) মো. মনিরুজ্জামান, সহকারী ব্যবস্থাপক (কোল হ্যান্ডেলিং ম্যানেজমেন্ট) মো. মাহাবুব রশিদ ও ব্যবস্থাপক (স্টোর) মো. দিদারুল কবির।

১৩ আগস্ট পেট্রোবাংলার এসব কর্মকর্তাদের তলব করে চিঠি দেয়া হয়। এই সাতজন ছাড়াও পেট্রোবাংলার আরও ২৫ জনকে তলব করে সংস্থাটি। তাদের ঈদের পরে বিভিন্ন সময়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

কয়লা গায়েবের ঘটনায় বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আনিসুর রহমান বাদী হয়ে গত ২৪ জুলাই খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহমেদসহ ১৯ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

মামলাটির তদন্ত করছে দুদক। তদন্তের শুরুতেই দুদক মামলার ১৯ আসামিসহ সাবেক তিন এমডির বিদেশ গমনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।