খুলতে প্রস্তুত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:৫২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৭, ২০২১ | আপডেট: ৮:৫২:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৭, ২০২১

প্রদীপ কুমার দেবনাথ, বেলাব (নরসিংদী) প্রতিনিধি: নরসিংদীর বেলাবতে বিদ্যালয়গুলো খুলতে প্রস্তুত। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক করোনাকালীন সতর্কতা অবলম্বন করে প্রায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা যায় প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষগুলো সাজানো হয়েছে একদম নতুনভাবে। বেঞ্চগুলো দুরত্ব বজায় রেখে বসানো হয়েছে। ধুলোবালি পরিস্কার করে ক্লাসরুম গুলো পাঠদানের সহায়ক করা হয়েছে। স্থানে স্থানে বেসিন স্থাপন, হাত ধোঁয়া, মাস্ক পরিধানের নিয়ম-কানুন সম্পর্কিত ব্যানার-পোস্টার, বেঞ্চে বসার পদ্ধতি, বিদ্যালয়ে অবস্থানকালীন স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণসহ সব ধরনের বিধিমালা অনুসরণ করে বিদ্যালয়গুলোকে প্রস্তুত করা হয়েছে। বেলাব ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বারৈচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাটুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দিঘলদী কান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজার বাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে করোনাকালীন সার্বিক প্রস্তুতির দেখা মিলে।

এ সময় কথা হয় বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি বেলাব উপজেলা শাখার সভাপতি ও বারৈচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব রাবেয়া খাতুন ও বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি বেলাব উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও বেলাব ১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব সুলায়মান খন্দকার এবং ভাবলা – দাপুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সরকারি প্রাশিস এর সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব চক্রবর্তী পিন্টুর সাথে। তারা জানায় সরকারি নীতিমালার ভিত্তিতে বিদ্যালয়গুলো পরিকল্পিত ভাবে সাজানো হয়েছে।

তাছাড়া শিক্ষার্থী বেশি থাকায় শিফটিং পদ্ধতির কথা মাথায় রেখে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সচেতন করার কার্যক্রমও পরিচালনা করা হচ্ছে। উপজেলার অন্যান্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সাথেও এ ব্যাপারে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ হারুন – অর – রশীদ জানান ‘রি-ওপেনিং এর কথা মাথায় রেখে এবং করোনাকালীন সতর্কতা অবলম্বন করে উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য ৮৪ টি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছি এবং শিক্ষার্থী বেশি থাকায় শিফটিং এর প্রয়োজনীয়তার কথাও তাদের অবগত করেছি। আমি নিজেও কার্যক্রমগুলো তদারকি করছি।”