‘গণতন্ত্র নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না’

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩:৫২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৬, ২০১৮ | আপডেট: ৩:৫২:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৬, ২০১৮

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘এখনো যারা ষড়যন্ত্র করছেন, তারা সাবধান হোন। যারা এদেশে গণতন্ত্র দেখতে চান না, তারাও সাবধান হোন। বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না।’

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খুনিদের রাজত্ব এদেশে আর কায়েম হবে না। যারা ভাবছেন অবৈধভাবে ক্ষমতায় গেলে কিছু পদ পদবী পাবেন, তারা সে আশাবাদ দেন। যাদের কারণে বাংলাদেশে বারবার গণতন্ত্র হারিয়েছে তারা আর কোনোদিন অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসতে পারবেন না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা স্কুলের ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের নিয়ে খেলতে চায় তারা দেশ ও জাতির শত্রু। তাদের খেলতে দেয়া হবে না। অন্যায় করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। বিচার হবেই।’

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ। দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি হচ্ছে, দেশের মানুষ ভালো আছে। মানুষের পেটে ভাত আছে। সমুদ্রসীমা থেকে মহাকাশ পর্যন্ত জয় করেছি। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এগিয়ে যাবে।’

বঙ্গবন্ধু খুনিদের বিচার বন্ধে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি এবং জিয়াউর রহমান তাদের দূতাবাসে চাকরিসহ বিভিন্নভাবে পুরস্কৃত করার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার আত্মস্বীকৃত খুনিদের ভোট চুরি করে পার্লামেন্টে বসিয়েছিলো জিয়ার স্ত্রী (খালেদা জিয়া)। তার অর্থ কি দাঁড়াচ্ছে জিয়াউর রহমান একাই নয়, তার স্ত্রীও ১৫ আগস্টের হত্যার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুনিরা খুনিই হয়। এই খুনিরা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে। বার বার আমাকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে। কাজেই এদের হাতে দেশের ক্ষমতা গেলে দেশের কি উন্নতি হবে, দেশের মানুষ কি ন্যায় বিচার পাবে?

জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রক্ষমতায় আসা এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, অন্যায়ের মধ্যে দিয়ে যাদের ক্ষমতা দখল তারা কখনও ন্যায় বিচার করতে পারে না।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, সাম্যবাদী দলের প্রধান দিলীপ বড়ুয়া ও যুগ্ম-সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক।