গণভোটের মাধ্যমের কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের আহ্বান ওআইসির

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১:৪৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১, ২০১৯ | আপডেট: ১:৪৬:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১, ২০১৯

অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশনের (ওআইসি) জেনারেল সেক্রেটারিয়েট জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে একটি গণভোটের মাধ্যমে কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।

শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওআইসি এই আহ্বান জানায় বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন। কাশ্মীরকে আন্তর্জাতিকভাবে দেয়া মর্যাদার কথাও উল্লেখ করে সংস্থাটি।

সাম্প্রতিক সময়ে কাশ্মির উত্তেজনা ও সেখানকার মানুষের মৌলিক অধিকারের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সক্রিয় হওয়ার প্রেক্ষিতে ওআইসি সচিবালয় থেকে এই বিবৃতি দেয়া হয়। বিবৃতিতে জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবনায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জম্মু ও কাশ্মিরকে দেয়া বিশেষ মর্যাদার কথা জোর দিয়ে উল্লেখ করা হয়।

মুসলিম দেশগুলোর শীর্ষ এই সংস্থা কাশ্মিরের জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে সম্প্রতি ওআইসি সম্মেলনের সিদ্ধান্ত এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে নেয়া প্রস্তাবগুলোর কথাও মনে করিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি ওআইসি অবিলম্বে ভারত শাসিত কাশ্মির থেকে কারফিউ তুলে নেয়ার, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট ব্যবস্থাসহ যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনর্বহালের এবং কাশ্মিরের জনগণের মৌলিক অধিকারগুলোর প্রতি সম্মান দেখাতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের মাধ্যমে কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর থেকে অঞ্চলটিতে বিরাজমান পরিস্থিতি নিয়ে আর্ন্জাতিক সম্প্রদায়ের মতো ওআইসি’ও উদ্বিগ্ন বলেও উল্লেখ করে সংস্থাটি।

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপ করে কাশ্মিরকে দেয়া বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে নয়াদিল্লী। পাশাপাশি কাশ্মির রাজ্য ভেঙে জম্মু ও কাশ্মির এবং লাদাখ নামের দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করে ভারত সরকার। এরপর থেকেই ভারত শাসিত কাশ্মিরে টানা কারফিউ চলছে। পাশাপাশি বন্ধ করে রাখা হয়েছে মোবাইল নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট সংযোগসহ সকল যোগাযোগ ব্যবস্থা। কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর প্রায় এক মাস পর হতে চললেও উপত্যকাটি কার্যতঃ অচল হয়ে আছে। সেখানকার মানুষের দৈনন্দিন জীবনও হয়ে আছে স্থবির।