গলা কেটে হত্যার পর মাথা নিয়ে থানায় হাজির খুনি

প্রকাশিত: ৬:৪৪ অপরাহ্ণ, জুন ২৫, ২০১৯ | আপডেট: ৬:৪৪:অপরাহ্ণ, জুন ২৫, ২০১৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যার পর তার খণ্ডিত মাথা নিয়ে থানায় হাজির হয়েছেন লবু দাস (৪৬) নামের এক ব্যক্তি। মঙ্গলবার (২৫ জুন) দুপুর ১টার দিকে উপজেলা সদরের গৌরমন্দিরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত লিটন ঘোষ (৫০) কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচড় সদর উপজেলার ঘোষ পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। অভিযুক্ত লবু দাসের বাড়ি নাসিরনগর সদর ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া।তিনি প্রয়াত পরমান্দ দাসের ছেলে।

অভিযোগ রয়েছে, কিছুদিন আগে লবু দাস তার আপন চাচা (৭নং ওয়ার্ড মেম্বার) মতি দাসকে হত্যা করে। ওই ঘটনার কিছুদিন যেতে না যেতেই আটক লবু জামিনে মুক্ত হয়ে এই হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, লিটন ঘোষ তার ভগ্নিপতি নেপাল ঘোষের বাড়িতে বেড়াতে আসেন।বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি তার বোনের বাড়িতে থাকছিলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য খৃষ্টান পরিষদের সাবেক এক সভাপতি বলেন, নিহত ও হত্যাকারী দুইজনই মাদকসেবী ছিলেন। নাসিরনগরের গৌর মন্দিরটিকে কেউ কেউ মাদক সেবীদের আস্তানা বানিয়ে রেখেছেন।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, লিটনকে হত্যার পর তার মাথা কেটে বস্তায় করে থানায় হাজির হয়েছে আসামি নিজেই। নিহত ব্যক্তির মাথাসহ আমরা তাকে আটক করেছি।

গৌর মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক নির্মল চৌধুরী বলেন, কিছুদিন আগে গৌরমন্দির সংলগ্ন গৌতম বনিকের দোকান থেকে র‌্যাবের একটি দল প্রচুর ফেনসিডিল উদ্ধার করে। এখানে সবসময় মাদক সেবন ও বিক্রি করা হয়। লেবু দাস এক বছরে দুটি হত্যা করেছে। অথচ তার কোন বিচার হচ্ছে না।

তিনি বলেন, কী কারণে সে জেল থেকে ছাড়া পেল সেটাও বুঝতে পারছি না।