গাছের পাতায় ডায়াবেটিক বিস্কুট, চা

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:৪৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯ | আপডেট: ৫:৪৫:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯

ড. ইয়াছিন প্রধান স্টেভিয়া গাছের পাতার রস থেকে ডায়াবেটিক বিস্কুট ও চা তৈরির কাজ প্রায় শেষ করেছেন। হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের এই সহকারী অধ্যাপকের গবেষণাটির জীবন লিখেছেন সোয়াদুজ্জামান।

এই স্বপ্নপূরণের কাজটি শুরু করেছিলেন আজ থেকে ঠিক ১২ বছর আগে। ইয়াছিন প্রধান তখন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) এম এস (মাস্টার্স অব সায়েন্স)’র ছাত্র। পড়েন প্রাণসরায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগে। গবেষণা সুপারভাইজার বা তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক আয়েশা সিদ্দিকা এবং সহকারী তত্ত্ববধায়ক ছিলেন অধ্যাপক বিষানলাল দাস চৌধুরী। তখন তিনি ওই বিভাগের অধ্যাপক ড. এম আফজাল হোসেনের কাছ থেকে স্টেভিয়া গাছ সম্পর্কে প্রথম জানতে পারেন। স্টেভিয়ার পাতা মিষ্টি, ডায়াবেটিকসের জন্য ভালো বলে বিজ্ঞানীরা নানা দেশে গবেষণাও করছেন।

গ্রামীণ অর্থনীতিতে এই আয় বাড়ানো গাছের ভূমিকা আমাদের দেশে কী হতে পারে সেজন্য তখনই ব্র্যাক, পাবনার ঈশ্বরদীর বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট (বাংলাদেশ সুগার ক্রোপ রিসার্চ ইনস্টিটিউট বা বিএসআরআই), তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগে ও গবেষণা খামারে পরীক্ষামূলক এই গাছের চাষাবাদ শুরু করেছে। তিনিও স্টেভিয়া গবেষণা শুরু করলেন। ইয়াছিন প্রধানের সেই গবেষণার নাম- ‘স্টেভিয়ার মিষ্টি পাতার পরিবেশে প্রভাব’। এই গাছ সাধারণত জলে বাঁচে না। তবে তিনি তখন হাইড্রোপনিক কালচারের মাধ্যমে স্টেভিয়াকে পানিতে জন্মাতে সফল হন। ফলে পাতার মিষ্টি বাড়ানোর গবেষণা সহজ হয়ে যায়। তার সেই গবেষণার ফলাফল ‘অ্যাগ্রো ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট জার্নাল’- এ প্রকাশিত হয়েছে।

বিভাগের প্রথম হওয়া ছাত্র হিসেবে ইয়াছিন প্রধান এরপর প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দিলেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি মূল্যবান স্টেভিয়া নিয়ে গবেষণা চলতে থাকল। তিনি সেভাবে জেনেছেন- গাছটির মধ্যে ‘স্টেভিওসাইড’ নামের মিষ্টি উপাদান আছে। তাতে তার পাতা, কাণ্ড ও বাকল মিষ্টি হয়। ডায়াবেটিক রোগীদের কোনোই ক্ষতি করে না। তাদের রক্তের গ্লুকোজের ওপর গাছের মিষ্টি রস দিয়ে বানানো খাদ্য কী পানীয় ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না। গুণটি গাছটিতে প্রকৃতিগতভাবেই আছে। তার পাতার পুরোটাই মিষ্টি। প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতার পাশাপাশি স্টেভিয়ার পাতায় মিষ্টি উপাদানের পরিমাণ নির্ণয়ে তিনি গবেষণা করেছেন। জেনেছেন, স্টেভিয়ার পাতায় ৭-১০ শতাংশ হিসেবে মিষ্টি উপাদান আছে। কচি পাতায় মিষ্টি উপাদান কম, পূর্ণবয়স্ক পাতায় মিষ্টি উপাদান পর্যাপ্ত। সকালে গাছ থেকে সংগ্রহ করা পাতায় মিষ্টি উপাদান বেশি থাকে।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের বিভাগ এবং ‘অধ্যাপক মোহাম্মদ হোসেন কেন্দ্রীয় গবেষণাগার’- এ গবেষণা করেছেন। এরপর পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হয়েছেন। তার স্ত্রী ড. নূর-ই-নাজমুন নাহার হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। তাই ড. ইয়াছিন প্রধান একসঙ্গে জীবনযাপন করবেন বলে চলে এলেন এখানে একই বিভাগে। নতুন বিভাগ, গবেষণার সুযোগ কম, আর্থিক বরাদ্দও কম। তারপরও স্টেভিয়া গবেষণায় হাল ছাড়েননি। প্রথম সাত মাস বসতে আলাদা রুম পাননি, পুরো সময় গবেষণাগারেই কাটাতেন তাই। এরই মধ্যে উচ্চতর শিক্ষা (পিএইচডি)’র জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিহার্ড ও জাপানের মনোবুকাগাশো স্কলারশিপ পেলেন।

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে জাপানের ওকাইয়ামা ইউনিভার্সিটিতে চলে গেলেন। বিশ্ববিদ্যালয়টি তাদের দেশের সেরা ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি। সেখানে তিনি প্রতিকূল পরিবেশে উদ্ভিদের অভিযোজনের শারীরবৃত্তীয় কৌশল সম্পর্কে গবেষণা করেছেন। ইংরেজিতে একে ‘প্ল্যান্ট স্ট্রেস ফিজিওলজি’ বলে। অধ্যাপক ইয়াছিন প্রধানের গবেষণাটি ছিল ‘গাছের পরিবেশ থেকে পাওয়া চাপ সহ্য ক্ষমতা ও কৌশল’। তার গবেষণা কোন কোন হরমোনের মাধ্যমে কীভাবে গাছ পত্ররন্ধ খোলে বা বন্ধ করে সেটিও বলেছে। স্যালিসাইলিক অ্যাসিড ও অ্যাবসিসিক অ্যাসিডের প্রভাবে গাছ পত্ররন্ধ খোলা বা বন্ধের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। মাটি, পানি যেখানেই থাকুক না কেন– এভাবে গাছের জীবন বাঁচে ও চলে। গবেষণার লিখিত রূপ আমেরিকান সোসাইটি অব প্ল্যান্ট বায়োলজি প্রকাশিত বিশ্বমানের বিখ্যাত ‘প্ল্যান্ট ফিজিওলজি জার্নাল’-এ প্রকাশিত হয়েছে। গুগলে Guard cell salicylic acid signaling is integrated into abscisic acid signaling via the Ca2+/CPK-dependent pathway লিখে সন্ধান করলে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে জার্নালের প্রকাশিত সংখ্যায় গবেষণার মূল অংশ পাওয়া যায়। তাতে ড. ইয়াছিন প্রধানের জীবনবৃত্তান্ত আছে, লিখেছেন মার্কিন লেখক মেরি উইলিয়ামস।

ড. ইয়াছিন প্রধান জানালেন, “প্রতিটি গাছের পাতায় অসংখ্য ছিদ্র আছে। এগুলোকে ‘পত্ররন্ধ’ বলে। গাছের বাকলেও পত্ররন্ধ থাকে। তবে সবচেয়ে বেশি থাকে পাতায়। প্রতিটি পত্ররন্ধের দুই পাশে দুটি রক্ষীকোষ থাকে। এগুলো মডেল সেল। পত্ররন্ধের মাধ্যমে উদ্ভিদ শরীরে জীবাণুর প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, সালোক-সংশ্লেষণ ও প্রশ্বেদন মানে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে দেওয়ার কাজ করে। এভাবে গাছ নিজেকে প্রতিকূল পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার কাজ করে।”

তিন বছরের শিক্ষা ছুটিতে জাপানে পিএইচডিতে জুস, টক দই, জেলি, আইসক্রিম, চকলেট ইত্যাদি পণ্যে সবার খাওয়ার উপযোগী করে স্টেভিয়া পাতার ব্যবহার তিনি দেখলেন। যারা মোটা হতে চান না তারাও জিরো (শূন্য) ক্যালোরিতে তৈরি খাবার খান। খাবারে স্টেভিয়া পাতা থেকে নেওয়া যে মিষ্টি উপাদান ব্যবহার করা হয়, তা ৯০ থেকে ৯৫ ভাগ বিশুদ্ধ করে তৈরি করা হয়। জাপানে তার বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টেভিয়া নিয়ে কাজ করা এক অধ্যাপকের গবেষণাগারে গিয়ে গবেষক দলের সঙ্গে আলাপ করেছেন। তারা তাকে নিজের দেশে গবেষণার জন্য শতভাগ বিশুদ্ধ স্টেভিয়ার গুঁড়ো উপহার দিয়েছেন। জাপানে তখন বাংলাদেশি গবেষক জিয়াউল করিমের সঙ্গেও তার পরিচয় হয়েছে। তিনি আগে বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউটের অন্যতম গবেষক ছিলেন। স্টেভিয়া সম্পর্কে জানতেন। তার সাহায্যে অধ্যাপক ইয়াছিন প্রধান খাবারে ব্যবহার করা যাবে এমন এক কেজি স্টেভিয়ার গুঁড়ো সংগ্রহ করলেন।

পিএইচডি শেষে দেশে ফিরলেন ড. ইয়াছিন প্রধান। তার আগের চিন্তাও বদলে গেছে। তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শহর দিনাজপুরে দেখলেন, ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য আলাদা মিষ্টি ২৫ টাকা প্রতি পিস দরেও বিক্রি হচ্ছে। আরও খোঁজ নিয়ে জানলেন, অতি দামের এই মিষ্টিগুলোতেও স্যাকারিন বা অন্য কোনো কৃত্রিম উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে। সেগুলো মানব দেহের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য তো বটেই। কোনো প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহারই তাতে নেই। নজরে না রাখা তৈরি মিষ্টির চেয়ে কোম্পানিগুলোতে তৈরি করা মিষ্টিতে ক্ষতিকর উপাদানের পরিমাণ কম–এটাই পার্থক্য। অথচ স্টেভিয়া গবেষণায় তিনি জেনেছেন, এই গাছের পাতাগুলো চিনির চেয়ে বহুগুণ মিষ্টি। এগুলোতে ক্ষতিকর কোনো উপাদান নেই, দেহের জন্যও খুব উপকারী। হিসেব করে জানলেন, তার কাছে যে স্টেভিয়া পাতার মূল উপাদান এক কেজি গুঁড়ো আছে, সেটি দিয়ে অনেক ডায়াবেটিক মিষ্টি তৈরি করা যাবে। ফলে ড. ইয়াছিন প্রধান তাদের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের গবেষণাগারে নবউদ্যমে গবেষণায় নামলেন। এখনো স্টেভিয়ার পাতার রস থেকে মিষ্টি উপাদান বের করে গবেষণার মাধ্যমে সেটি পুরোপুরি বিশুদ্ধ করার গবেষণা করছেন। ২০১৮ সালের জুলাই থেকে এই বছরের জুন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অর্থায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ প্রকল্পের অনুদানে প্রথম দফার আরেকটি গবেষণা করেছেন। সেটির নাম– ‘ইনভেস্টিগেটিং অ্যান্টিব্যাকটিয়াল অ্যাকটিভিটি অব স্টেভিওসাইড এগেইনস্ট অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া ইন বাংলাদেশ’। গবেষণায় তিনি স্টেভিয়ার নির্যাস ব্যবহার করে যেসব ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে অধিকাংশ অ্যান্টিবায়োটিকগুলো অকার্যকর হয়ে পড়েছে, এমন মাল্টি-ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসে প্রাথমিকভাবে সফল হয়েছেন । মাল্টি-ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট (নানা ধরনের ওষুধেও বেঁচে থাকার ক্ষমতা লাভ করা) ব্যাকটেরিয়াবিনাশী ওষুধ তৈরির জন্য তিনি কাজ করছেন। গবেষণা শেষ হতে আরও কয়েক বছর লাগবে। তবে স্টেভিয়ার মিষ্টি রস ব্যবহার করে ডায়াবেটিক বিস্কুট তৈরির কাজ শেষ করেছেন হাজী দানেশ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের এই সহকারী অধ্যাপক।

তার তৈরি ডায়বেটিক বিস্কুটে শতকরা ৯০ ভাগ বিশুদ্ধ স্টেভিয়া চিনি বা স্টেভিওসাইড এবং ১০ ভাগ অন্যান্য মিষ্টি উপাদান আছে। আমাদের দেশের বাজারে প্রচলিত চিনি বা স্যাকারিনের বিস্কুটের চেয়ে তার স্টেভিয়ার রস থেকে তৈরি ডায়াবেটিক বিস্কুট রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে অনেক বেশি কার্যকর। লিভার ও কিডনিসহ শরীরের সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জন্যও অনেক বেশি উপকারী। এর মধ্যেই তাদের গবেষণা পরীক্ষাগারে খরগোশের ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এই তথ্যগুলো শতভাগ প্রমাণ করেছেন তিনি। নিজের তৈরি বিস্কুটে কী কী ফ্লেভার থাকবে- সেই ভাবনা ও গবেষণা এখন চলছে। এই গবেষণার জন্য সামান্য অনুদান পেলেও নিজ খরচেই কাজ করছেন। আরও গবেষণা এবং বাণিজ্যিকভাবে স্টেভিয়া উৎপাদনের জন্য এখন তিনি জমি খুঁজছেন। সুজাউল আলম নামের বিভাগের এক ছাত্র শিক্ষককে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ২০ শতাংশ জমি ব্যবহার করতে দিয়েছেন। মাস দুয়েক আগে থেকে সেখানে স্টেভিয়া গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা শুরু করেছেন শিক্ষক। তিনি বড় পরিসরে উৎপাদনে যেতে চান। বিস্কুটের পর চায়ের উৎপাদনে যাবেন। তখন আরও অনেক বেশি স্টেভিয়ার পাতা লাগবে। কারণ চায়ে বাঙালির খুব বেশি উৎসাহ আছে। চা গবেষণায় আরও অনেক বেশি স্টেভিয়ার চারার প্রয়োজন পড়বে। এই চা ডায়াবেটিক রোগীরা দেদার খেতে পারবেন। এক দানা চিনি লাগবে না। তিনি পরীক্ষামূলকভাবে চা তৈরি করে দেখেছেন, খেতে খুব বেশি ভালো, পুরোপুরি প্রাকৃতিক বলে ক্ষতির বিন্দু পরিমাণ সম্ভাবনাও নেই। স্যাকারিন বা অন্য কোনো ক্ষতিকর উপাদান তো নেই-ই । ড. ইয়াছিন প্রধান এখন স্টেভিয়া বিস্কুট ও চায়ের প্যাকেটজাতকরণের কাজ করছেন। বিদেশ থেকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনে নিয়ে আসছেন। আগ্রহী কোনো একটি চা কোম্পানি তার চা বাজারে বিক্রি ও প্রয়োজনীয় সাহায্য করতে এগিয়ে এলে এ বছরের অক্টোবর থেকেই বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হবে, নিশ্চিত করলেন অধ্যাপক। জাপানের ওকাইয়ামা বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্ট-ডক্টরাল গবেষক ড. শাহরিয়ার আবু সালেহ মুহাম্মদের সাহায্যে আমাদের দেশের একটি চা কোম্পানিকে স্টেভিয়া ডায়াবেটিক চা উৎপাদন ও বিক্রির প্রক্রিয়াতে যুক্তের চেষ্টা চলছে। ড. ইয়াসিন প্রধানের চায়ের দাম নাগালের মধ্যেই থাকবে। বিস্কুটও। পণ্য দুটি বাজারজাতকরণের জন্য পরিবেশক ও এই গবেষণা এগিয়ে নিতে আর্থিক সহযোগিতা তার কাজকে আরও সহজ করবে।

এখনো সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত শিক্ষকতা, প্রাতিষ্ঠানিক কাজ ও গবেষণাতেই কাটে তার দিন।