গাজীপুরের নুহাশীতে শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় হুমায়ূন স্মরণ

প্রকাশিত: ৬:৩৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৯, ২০২০ | আপডেট: ৬:৩৭:অপরাহ্ণ, জুলাই ১৯, ২০২০

জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার গাজীপুরের পিরুজালী গ্রামে নুহাশ পল্লীতে তাকে স্মরণ করা হয়েছে । তবে করোনার কারনে অন্যান্য বছরের ন্যায় এবার তেমন কোন আয়োজন ও ভক্তদের ভীড় ছিল না।

লেখকের নন্দন কানন নুহাশপল্লী যেখানে তিনি চিরশায়িত সেখানেও তাঁর পরিবারের স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা লেখককে স্মরণ করলেন। তবে করোনাকালের বাস্তবতায় অনাড়ম্বর আয়োজনে এবার এই লেখককে স্মরণ করা হলো।

২০১২ সালের আজকের এইদিনে ১৯ জুলাই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তাকে হারানোর শোক বুকে নিয়ে আজও কাঁদে বাংলা সাহিত্যের অনুরাগীরা। কাঁদে নাটক-সিনেমার আঙিনা। নন্দিত লেখক ও নির্মাতার প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে তারই হাতে তৈরি নুহাশ পল্লী তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় ককরোনাকালীন সল্পপরিশওে করা হয়েছে আয়োজন। তবে এবার করোনার জন্য বাহিরের লোক বা ভক্তরা নেই।

সকালে লেখকের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, দুই পুত্র নিনিত ও নিষাদ হুমায়ূনের উপস্থিতিতে কবর জিয়ারত করা হয়। এসময় লেখকের আত্মার শান্তি কামনায় প্রার্থনা করা হয়। কবর জিয়ারত শেষ মেহের আফরোজ শাওন গণমাধ্যমকে হুমায়ুনের স্বপ্ন এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় পুর্নব্যাক্ত করে বলেন।

হুমায়ূন আহমদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন বলেন, প্রতিবার সকাল থেকে হুমায়ুন পরিবার, তাঁর ভক্ত, কবি, লেখক আর নাট্যজনেরা ফুল হাতে শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় করেন নুহাশপল্লীর লিচু তলায়। নন্দিত লেখকের প্রিয় চরিত্র হলুদ পাঞ্জাবিতে হিমু এবং নীল শাড়িতে রূপা সেজে আসেন ভক্ত ও পাঠকেরা। এবার করোনা ঝুঁকিতে স্বাস্থ্যবিধির বাধ্যবাধকতা থাকায় দূরদূরান্তের লেখক ভক্তরা নুহাশপল্লীতে না এলেও নিশ্চয় তাঁরা যে যার মতো লেখককে স্মরণ করছেন।

হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম কাজল। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ও মা আয়েশা ফয়েজের প্রথম সন্তান তিনি। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা আর মা ছিলেন গৃহিণী। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। কথা সাহিত্যিক জাফর ইকবাল তার ভাই। সবার ছোট ভাই আহসান হাবীব নামকরা কার্টুনিস্ট ও রম্যলেখক। হুমায়ূন আহমদ ২০১২ সালের এই দিনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুবরণ করেন ।