গোপালগঞ্জে আসামি ধরতে না পেরে পরিবারের সদস্যদের পেটানোর অভিযোগ

প্রকাশিত: ৬:৩৩ অপরাহ্ণ, মে ১৫, ২০২১ | আপডেট: ৬:৩৩:অপরাহ্ণ, মে ১৫, ২০২১

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে কায়ুম মোল্লা নামে চুরি মামলার এক আসামিকে ধরতে না পেরে পরিবারের সদস্যদের পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে সদর থানার দুই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে।

শনিবার সকালে সদর উপজেলার চর মানিকদাহ গ্রামে এঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, শনিবার সকালে চর মানিকদাহ গ্রামের কাজির বাজার এলাকায় কায়ুম মোল্লা নামে চুরি মামলার আসামিকে ধরতে যান সদর থানার এসআই অজিত কুমার সরকার ও এএসআই সাইদুর রহমান। এ সময় আসামি কায়ুম দৌড়ে পালিয়ে গেলে ছেলে ইনসান ও পুত্রবধু আসমা বেগমকে বাশ দিয়ে বেদম মারপিট করে গুরুতর আহত করেন ঐ দুই পুলিশ কর্মকর্তা। এ সময় আসমা বেগমের কোলে থাকা তিন মাসের শিশু সন্তান কোল থেকে ছিটকে পড়ে আহত হয়। এ ঘটনার পর স্থানীয়রা রাস্তায় গাছের গুড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করে ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ অফিসারদের উদ্ধার করে এবং আহত ইনসান ও আসমা বেগমকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম দি বাংলাদেশ টুডেকে জানান, চর মানিকদাহ গ্রামের কাজির বাজার এলাকার গোপালগঞ্জ থানার চুরি মামলার আসামি কায়ুমকে গ্রেফতার করতে যায় এসআই অজিত কুমার সরকার ও এএসআই সাইদুর রহমান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কায়ুম মোল্লা পালিয়ে যায়। পুলিশ আসামী ধরার চেষ্টা করলে আসামীর ছেলে ও পুত্রবধু বাধা দেয়। তাদের সাথে এ নিয়ে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। এতে ইনসান ও তার স্ত্রী আসমা আহত হয়। তাদেরকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিরি আরও বলেন, আসামী কায়ুম মোল্লা ডাকাতীসহ আরো চারটি মামলার আসামী। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে। তাকে গ্রেফতারে যারা বাধা দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।