ঘটনা ধামাচাপা দিতে সিরাজের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা নেন আ’লীগ নেতা মকসুদ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:১১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৪, ২০১৯ | আপডেট: ৮:১৫:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৪, ২০১৯

ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যার পর অধ্যক্ষ সিরাজদ্দৌলার অপকর্মের তথ্য বেড়িয়ে আসছে। যারা এত দিন ভয়ে মুখ খুলতে পারেনি তারা এখন অধ্যক্ষের অপকর্মের তথ্য দিচ্ছেন।

সোনাগাজীর সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার একটি সূত্র জানায়, নুসরাত জাহান রাফির ঘটনার আগে আরেকটি মেয়েকে যৌন নির্যাতন করেন অধ্যক্ষ সিরাজদ্দৌলা। এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে অধ্যক্ষের কাছ থেকে নগদ ৪ লাখ টাকা নিয়েছিলেন মাদ্রাসা কমিটির সদস্য জামশেদ ও সোনাগাজী পৌর কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মকসুদুল হক ।

ওই সূত্র আরও জানায়, এই দুই ব্যক্তি ছাড়াও নুর উদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামীম, জাবেরসহ আরও কয়েকজন অধ্যক্ষ সিরাজদ্দৌলার অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করতেন।

এদের মধ্যে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকছুদ আলম, নুর উদ্দিন, শামীমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিকে নুসরাতের ভাইয়ের করা মামলার আট আসামির মধ্যে এখন পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে ফেনীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত সবাই ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, নুসরাতের খুনীদের বাঁচাতে নানাভাবে তৎপরতা চলছে। বিভিন্ন দিক থেকে হত্যা মামলার আসামি ও তাদের দোসরদের পক্ষে একটি গ্রুপ মাঠে নেমেছে।

সোনাগাজীর সেই মাদরাসা শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন শামীম, যুবলীগ নেতা নুর উদ্দিন, জাবেদ হোসেন, জোবায়ের আহমেদ, আব্দুল কাদের ঐ মাদরাসার প্রিন্সিপাল সিরাজ উদ্দৌলা, সোনাগাজী পৌর কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মকসুদুল হক ও লেকচারার আবছার উদ্দিনের পক্ষে সাফাই গাইতে শুরু করেছে ওই গ্রুপটি। তারা রাজনৈতিক নেতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধরনাও দিচ্ছে।

গতকাল (শনিবার) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।