চরম ক্ষুব্ধ ড. কামাল হোসেন

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:০৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০১৮ | আপডেট: ৬:০৩:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০১৮
ফাইল ছবি

বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হয়েছে আজ। সকাল থেকেই রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে। সাক্ষাৎকারের জন্য মনোনয়ন বোর্ডের প্যানেলে আছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা।

তবে মূল সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া। রোববার সকালেই ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ায় ছবি ও ভিডিওসহ তারেক জিয়ার সাক্ষাৎকার নেওয়ার বিষয়টি ফলাও করে প্রচার হয়।

বিষয়টি নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। জানা গেছে, কেউ কেউ ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন। যদিও এসব বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমে মুখ খুলতে নারাজ ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। নেতাদের মতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমান সাক্ষাৎকার নিলেও সে খবর ফলাও করে গণমাধ্যমে প্রকাশের কোনো প্রয়োজন ছিল না। এতে ঐক্যফ্রন্টের জন্য হীতে বিপরীত হতে পারে।

গণফোরাম সূত্র জানায়, তারেক জিয়ার সাক্ষাৎকার গ্রহণে এরই মধ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। এ নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

উল্লেখ আজ থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হয়েছে। গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎকার শুরু হয়। আর ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, লন্ডনে পলাতক তারেক জিয়া মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ভিডিও সাক্ষাৎকার নেন।

সাক্ষাৎকার দিয়ে বেরিয়ে আসার পর দিনাজপুরের একজন মনোনয়নপ্রত্যাশী সাংবাদিকদের বলেন, তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্সে বিভিন্ন প্রশ্ন করছেন। তার কছে জানতে চেয়েছেন এলাকায় দলের সাংগঠনিক অবস্থা কেমন।

জানা গেছে, সাক্ষাৎকারের টেবিলে সিনিয়র নেতারা বসে আছেন, আর একটি দেয়ালে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড় পর্দায় দেখানো হচ্ছে তারেক জিয়ার সরাসরি ভিডিও। মনোনয়ন বোর্ডে থাকা ল্যাপটপের মাধ্যমে তারেক জিয়া সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের।

বিএনপি চেয়ারপরসন খালেদা জিয়া দুই দুর্নীতি মামলার সাজায় গত ফেব্রুয়ারি থেকে কারাবন্দি। তার অবর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হয়েছেন তার ছেলে তারেক রহমান। দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছর এবং ২১ অগাস্ট গ্রেনেড মামলায় যাবজ্জীবন সাজার রায় মাথায় নিয়ে গত এক দশক ধরে তিনি লন্ডনে।