চার দশক পেরিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত: 9:26 PM, November 22, 2019 | আপডেট: 9:26:PM, November 22, 2019
ছবি: টিবিটি

অনি আতিকুর রহমান, ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৭৯ সালের আজকের এই দিনে (২২ নভেম্বর) কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ জেলার মধ্যবর্তী শান্তিডাঙ্গা-দুলালপুর নামক নিভৃত এক গ্রামীণ জনপদে গড়ে উঠে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

সবুজে ঢাকা এই বিদ্যাপীঠটি প্রতিষ্ঠার ৪০ বছর অতিক্রম করে আজ ৪১ বছরে পদার্পণ করেছে। ফলে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, দিবসটি উপলক্ষ্যে ক্যাম্পাসে পতাকা উত্তোলন, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও কেক কাটাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় প্রশাসন ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এসএম আবদুল লতিফ।

পরে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় মিলিত হয়। আলোচনার আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেক কাটা হয়। শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেয়। সভায় ৪১তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন উপ-কমিটির আহবায়ক ও ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মনের সভাপতিত্বে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত রেজিষ্ট্রার বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে ৪১ বছরে পদার্পণ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলা ৪১তম জন্মদিনে আমাদের প্রত্যাশা। তিনি বলেন, সম্পূর্ণ আবাসিকতা নিশ্চিতের পাশাপাশি অবকাঠামো ও একাডেমিক কারিকুলামগত সংস্কার করাও আমাদের লক্ষ্য।’

এদিকে জুমুআ’র নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করে দোয়া-মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম কাম খতিব ড. আ স ম শোয়াইব আহমাদ। একইদিন বিকেলে ক্যাম্পাসের নিজস্ব শিল্পীদের পরিবেশনায় ‘বাংলা মঞ্চে’ এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।