‘চুমুবাবা’র পর্দাফাঁস!

প্রকাশিত: ১:২৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৪, ২০১৮ | আপডেট: ১:২৬:অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৪, ২০১৮

রোগ সারানোর নাম করে নারী ভক্তদের সঙ্গে চুটিয়ে মজা করছিলেন চুমুবাবা। কিন্তু এবার আর পার পেলেন না। অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন ভণ্ড সাধু।

রোগ প্রতিকার বা অন্য কোনও সমস্যা নিয়ে কোনো নারী তার কাছে গেলেই তিনি রোগিনীকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতেন। তার দাবি ছিল, চুমুতেই নাকি মিলবে রোগমুক্তি! এমনটাই প্রচারণা ছড়ানো হয়েছিল ওই সাধুর পক্ষে।

এই প্রচারে প্রলুব্ধ হয়ে অনেকেই কঠিন রোগ সারানোর আশায় আসতেন। অনেক মহিলার সঙ্গে রোগ সারিয়ে দেওয়ার নাম করে কুকর্ম সেরেছেন সেই বাবা। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। প্রতারণার অভিযোগে এই ভণ্ড সাধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তাঁর আস্তানা।

ভারতের এই চুমুবাবার আসল নাম রামপ্রসাদ চৌহান। আসারাম বাপু, গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের মতো তিনিও এক স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক গুরু। আসামের মরিগাঁও জেলার ভোরালতুপ গ্রামে রীতিমতো আশ্রম খুলে বসেছিলেন এই প্রতারক সাধু। দিনের পর দিন ধরে নারীদের সঙ্গে প্রতারণা করছিলেন তিনি। শেষমেশ স্থানীয় লোকজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে আশ্রমে গিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ছেলেকে সাহায্য করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন রামপ্রসাদের মা-ও।

পুলিশ জানায়, গ্রামের সহজ-সরল মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রতারণা করে নিজের যৌন লালসা মেটাতেন এই গুরু। নারীরাই ছিল চুমুবাবার টার্গেট। তবে ভক্তদের থেকে মোটা টাকার দক্ষিণাও নিতেন বাবা।

সাধারণ মানুষের কাছে এই প্রতারক বাবা দাবি করতেন, তিনি নাকি ভগবান বিষ্ণুর অবতার! তার সঙ্গলাভেই মুক্তি মিলবে শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক কিংবা বৈষয়িক সমস্যার।

ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া সাধু ওরফে রামপ্রসাদ চৌহানের বিরুদ্ধে প্রতারণার পাশাপাশি যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সূত্র:এবেলা