চুয়েটে ছাত্রলীগ কর্মীকে পেটালো ছাত্র ইউনিয়ন

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:১১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮ | আপডেট: ৯:১১:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮

চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ছাত্র ইউনিয়নের সম্মেলন আগামীকাল বৃহস্পতিবার। সম্মেলনের আগের দিন ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতিকে মারধর ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিবেশ। যদিও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেরাই হামলার শিকার হয়েছেন এমন দাবি করেছেন চুয়েট ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াৎ হোসেন সম্রাট ।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগ কর্মীদেরই মারধর করেছেন ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি। ছাত্র ইউনিয়নের সম্মেলনে যাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কোনো কটুক্তি করা না হয়, তা নিষেধ করতে গিয়েছিল ছাত্রলীগ কর্মী অতনু সহ কয়েকজন নেতা। কিন্তু ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি তাদের মারধর করেন।

ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি মনীষী রায় বলেন, দুপুর সাড়ে বারোটায় ক্যাম্পাসের স্বাধীনতা চত্বরে তিনি ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক সৌমেন সাহার ওপর হামলা করে ছাত্রলীগ কর্মীরা। হামলাকারীরা চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অতনু, ফাহাদ, ফরহাদসহ বেশ কয়েকজন।

তিনি দাবি করেন, ছাত্রলীগ কর্মীরা বেশ কিছুদিন ধরে সম্মেলন না করার জন্য হুমকি দিয়ে আসছিল। আজ বুধবার দুপুরে স্বাধীনতা চত্বরে হঠাৎ দেখা হলে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে মারধর শুরু করে। এসময় সাংগঠনিক সম্পাদক সৌমেন সাহা তাকে বাঁচাতে গেলে তাকেও মারধর করেন ছাত্রলীগ কর্মীরা।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেন চুয়েট ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ ইমাম বাকের। তিনি দাবি করেন, মারধরের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতির সঙ্গে তার কথা হয়েছে দাবি করে বলেন, কার সঙ্গে কী হয়েছে, সে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। গতকাল ছাত্রলীগের সভাপতি চট্টগ্রামে এসেছিলেন, এ নিয়ে আমরা আনন্দফুর্তির মধ্যে আছি। যাদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তারাও ওই সময় ক্লাস করছিল।

এদিকে চুয়েট ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মনীষী রায়কে মারধরের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্র ইউনিয়ন। হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে টিএসসি থেকে মিছিলটি বের হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে রাজ ভাস্কর্যের সামনে এক সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি জিএম জিলানী শুভ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।