চেয়ারম্যান পদে বাপ-ছেলের লড়াই

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:১০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২, ২০১৮ | আপডেট: ৮:১০:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২, ২০১৮
নীলফামারী

নীলফামারীর ডিমলায় সীমানা জটিলতার কারণে স্থগিত হওয়া ৩টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগামী ২১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। ৩ ইউপির মধ্যে একটিতে চেয়ারম্যান পদে বাবা ও ছেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন।

গয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী সামছুল হক ও ছেলে বিএনপি নেতা আজহারুল ইসলাম স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

গয়াবাড়ী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে শরীফ ইবনে ফসয়াল মুন (আওয়ামী লীগ), রুকুনুজ্জামান (জামায়াত), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সামছুল হক ও বিএনপি নেতা আজহারুল ইসলাম স্বতন্ত্র পদে মনোনয়ন দাখিল করেন।

এদিকে সামছুল হক বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে।

এ অবস্থায় জামায়াত প্রার্থী রুকুনুজ্জামান সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।

আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী শরীফ ইবনে ফসয়াল মুন বলেন, কতিপয় আওয়ামী লীগ নেতা বিদ্রোহী প্রার্থীকে নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ স্বীকার করতে চায়।তবে শেখ হাসিনার নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত হবে। আমি আশা করছি, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে সবাই নৌকায় ভোট দেবেন।

অপরদিকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সামচুল হকের পক্ষে মাঠে নেমেছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুল বারী, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা।

গয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ফজলুল বারী বলেন, সামছুল হক আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। মনোনয়ন না পেয়ে স্বতস্ত্র প্রাথী হয়েছেন।

অপরদিকে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেরাজুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীপ্রার্থী সামছুল হকের ছেলে আজাহার আলী গয়াবাড়ী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। মূলত তার বাবাকে বিজয়ী করার লক্ষে তিনি মাঠে রয়েছেন।

গয়াবাড়ী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রাসেল সরকার বলেন, অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন না করলে আওয়ামী লীগের বিজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। বিষয়টি সমাধানে দ্রুত উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের এগিয়ে আসতে হবে।

ডিমলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহাবুবা আক্তার বানু বলেন, প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করে গয়াবাড়ী ইউনিয়নে চেযারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ৪ অক্টোবর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন তারা। আগামী ৫ অক্টোবর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুন নাহার বলেন, মামলার জটিলতার কারণে স্থগিত হওয়া উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের ভোটগ্রহণ আগামী ২১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।