চৌগাছায় ছাত্রলীগের দু’নেতা আহতের ঘটনায় নেতাকর্মীদের সড়ক অবরোধ

মো: ইয়াকু্ব আলী মো: ইয়াকু্ব আলী

চৌগাছা(যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৯:১৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০২০ | আপডেট: ৯:১৭:অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০২০
ছবি: টিবিটি

যশোরের চৌগাছা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দলীয় প্রতিপক্ষের হামলায় আহতের ঘটনায় হঠাৎ উত্তাপ্ত হয়ে উঠেছে।

শনিবার সকাল থেকেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপজেলা সদরে জড়ো হতে থাকে।সকাল ১০ টার দিকে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা চৌগাছা-যশোর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। মুহুর্তের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায় এই রুটে যান চলাচল। একে একে স্বাধীনতা ভাস্কার্য মোড়, কপোতাক্ষ সেতুর উপর, চৌগাছা-ঝিকরগাছা সড়কে নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন।

এ সময় চৌগাছার সকল রুটে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সকাল ১০ টায় বিক্ষোভ শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘন্টা চলে ১২ টায় শেষ হয়। হঠাৎ করে সড়ক অবরোধ করায় চরম বিপাকে পড়েন ঘর থেকে বের হওয়া মানুষেরা। প্রচন্ড রোদ আর গরমে অনেকেই পায়ে হেটে গন্তব্যে পৌছান। এ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরী কাজে নিয়োজিত বিভিন্ন ধরনের বাহনকেও সড়কে এ সময় দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পরে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেয় নেতাকর্মীরা।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুজ্জামান রাজু বলেন, হামলার ঘটনার পর এক দিন পার হতে যাচ্ছে কিন্তু এখনও পর্যন্ত হামলায় অংশ নেয়া কেউ আটক হয়নি। হামলায় অংশ নেয়া সকলকে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আটক করতে হবে। অন্যাথায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে তিনি হুশিয়ারী দেন।
এদিকে ছাত্রলীগ নেতা ইব্রাহীম হুসাইনের উপর হামলার ঘটনায় তার বড় ভাই জাহিদুর রহমান মিলন বাদি হয়ে শুক্রবার রাতেই ১৩ জনকে আসামী করে সংশ্লিষ্ঠ থানায় একটি মামলা করেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন আসামীকে আটক করতে পারেনি থানা পুলিশ।

থানা অফিসার ইনচার্জ রিফাত খান রাজিব বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে, মামলার পরপরই পুলিশ আসামীদের আটকে জোর চেষ্টা চালিযে যাচ্ছেন। খুব দ্রæত সময়ের মধ্যে সকল আসামীকে আটকে সক্ষম হবেন বলে তিনি মনে করেন।

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহীম হুসাইন ও তার সহযোগী মিঠুন হোসেন মোটরসাইকেল যোগে চৌগাছা বাজার হতে নিজ বাড়ি ্উপজেলার বেড়গোবিন্দপুর গ্রামে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে বাওড়ের ব্রিজ সন্নিকটে পৌছালে তাদের উপর অতর্কিত হামলা করে দূর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে তাদের মারাত্মক আহত করে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে চৌগাছা হাসপাতালে পরে যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।