ছবিটিতে বরফের মাঝে ‘ছদ্মবেশে’ তুষারচিতা!

প্রকাশিত: ৭:৩৪ অপরাহ্ণ, মে ১৭, ২০১৯ | আপডেট: ৭:৩৪:অপরাহ্ণ, মে ১৭, ২০১৯

কেমোফ্লেজ শব্দটা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে শুরু করে জঙ্গল সবেতেই সমপ্রযোজ্য এবং ভীষণভাবে বর্তমানও। সম্প্রতি বন্যপ্রাণী ফটোগ্রাফার সৌরভ দেশাইয়ের (Saurabh Desai) তোলা তুষার চিতাবাঘের একটি আলোকচিত্র বেশিরভাগ নেটিজেনকেই আবার কেমোফ্লেজ শবদটাই মনে করিয়ে দিচ্ছে।

তুষার চিতাবাঘের একটি আলোকচিত্র সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হয়ে গেছে। বন্যপ্রাণি ফটোগ্রাফার সৌরভ দেশাই তুলে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপলোড করেছেন তিনি।

বরফে কিছুটা ঢাকা পড়া পাথুরে পাহাড়ের উপর চিতাবাঘ ঠিক কোথায় লুকিয়ে আছে, এক নজরে খুঁজে পাওয়া কঠিন। সৌরভ দেশাই হিমাচল প্রদেশের স্পিতি উপত্যকায় ছবিটি তুলেছেন। নিজের ইনস্ট্রগ্রাম অ্যাকাউন্টে ছবিটি ‘আর্ট অব কেমোফ্লেজ’ ক্যাপশনে শেয়ার করেছেন তিনি।

নেটিজেনরা ওই ছবি ঝড়ের বেগে শেয়ার করেছেন। বাস্তবেই ওই রুক্ষ পাথুরে জমিতে ছদ্মবেশী চিতাবাঘকে খুঁজে বের করা কঠিন। অনেকেই ছবি শেয়ার করে বন্ধুদের ট্যাগ করছেন খুঁজে বের করার চ্যালেঞ্জ জানাতে।

একজন ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী লিখেছেন, আমি অনেকক্ষণ ধরেই তো তাকিয়ে ছিলাম। কোথায় বাঘ! আরেকজন লেখেন, যখন বাঘের চোখগুলো লক্ষ্য করলাম, তখন অবাক হয়ে গেলাম! অনুপ্রাণিত হলাম!

সৌরভ দেশাই কিব্বার গ্রামে গিয়েছিলেন। এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু গ্রাম বলে মনে করা হয়, যেখানে এখনো গাড়ি করে যাওয়া যায়। গ্রাম থেকে আট কিলোমিটার দূরে একটি স্থানে তিনি তুষার চিতাবাঘ দেখেছিলেন।

‘পাহাড়ের ভূত’ নামে পরিচিত তুষার চিতাগুলোকে সাধারণত হিমাচল প্রদেশে ৯ হাজার আটশ ফুট থেকে ১৭ ফুট হাজার উচ্চতায় এবং উচ্চ ও রুক্ষভূমি অঞ্চলে পাওয়া যায়। লাহুল এবং স্পিতির কিব্বার বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য থেকে চাম্বা জেলার পাঙ্গি এবং আদিবাসী কিন্নৌর জেলার লিপ্পা আসরং পর্যন্ত এদের আবাসস্থল বিস্তৃত।

 

View this post on Instagram

 

Art of camouflage…

A post shared by Photographs by Saurabh Desai (@visual_poetries) on