ছোট বাচ্চা, সংসার সব কিছু সামলিয়েও নীলিমা বিসিএসে প্রথম

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:০২ অপরাহ্ণ, মে ১, ২০১৯ | আপডেট: ১১:১২:অপরাহ্ণ, মে ১, ২০১৯
ছবিঃ সংগৃহিত

ডা. নীলিমা ইয়াসমিন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত আছেন। ছোট বাচ্চা, সংসার সব সামলিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন পড়াশুনাও। শুধু চালিয়ে যাওয়া নয়, রেখে যাচ্ছেন কৃতিত্বের ছাপও। এবারের ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের (স্বাস্থ্য) চূড়ান্ত ফলাফলে প্রথম হয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার বিকেলে বিসিএস (স্বাস্থ্য) চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি)।

প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদক পেয়েছিলেন নীলিমা। চিকিৎসকদের চূড়ান্ত পেশাগত পরীক্ষাতেও (২০১৬ সালে) অর্জন করেছিলেন প্রথম স্থান।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেছেন নীলিমা।

বিসিএসের ফল সম্পর্কে ডা. নীলিমা ইয়াসমিন বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার মিশ্র অনুভূতি। কারণ আমি এর আগে ৩৮তম বিসিএসেও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলাম। ওটার জন্যও অপেক্ষো করছিলাম।’

নীলিমা বলেন, ‘যখন এফসিপিএসের জন্য ট্রাই করছিলাম, তখন আমি গর্ভবতী ছিলাম। দুইটি পরীক্ষাই তখন পাশাপাশি ছিলো। আলহামদুলিল্লাহ, দুটিতেই উত্তীর্ণ হয়েছি। তারপর যখন ৩৯তম বিসিএসের যখন বিজ্ঞপ্তি দিলো, তখন দেখলাম যে আমার ৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার তিনদিন আগেই হলো ৩৯তম বিসিএস পরীক্ষা।’

‘এর মধ্যে ট্রেনিং করা, পড়াশুনা, ছোট বাচ্চা, সব মিলিয়ে আমার অবস্থা খুবই খারাপ ছিলো। ৩৯তম বিসিএসের জন্য যে খুব বেশি প্রস্তুতি নিয়েছি তা নয়, ৩৮ তম’র জন্যই প্রস্তুতি নিয়েছি। তার মধ্যেই আমি ৩৯তম বিসিএসে প্রথম হয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ,’ বলেন ডা. নীলিমা।

তিনি বলেন, ‘যখন ৩৯তম বিসিএসের পরীক্ষা দিয়ে বের হলাম, তখন মিলিয়ে দেখলাম যে ১৬৪/১৬৫ নাম্বার কনফার্ম। তখন বুঝতে পারলাম যে, ৩৯ তম তো হবেই। তখন ৩৮ তমের বিষয়টা খুব সিরিয়াসলি নিয়েছি। ৩৯তম তে তো প্রথম হলাম, দেখা যাক সামনে কি হয়। সবাই দোয়া করবেন।’

প্রসঙ্গত, ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের (স্বাস্থ্য) চূড়ান্ত ফলাফলে প্রায় ৪ হাজার ৭৯২ জন চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। সভার পরই ৩৯ তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।