জনপ্রতিনিধি হয়ে ধর্মপাশা উপজেলার সেবা করতে চান : আলমগীর কবীর

মোঃ ইমাম হোসেন মোঃ ইমাম হোসেন

ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৮:৪৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১, ২০১৯ | আপডেট: ৮:৪৭:অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১, ২০১৯

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগের জৈষ্ঠ্য সহ সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আলমগীর কবীর। সমাজ সেবায় তিনি ছোট বেলা থেকেই নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। তিনি ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধর্মপাশা গ্রামের এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত পারিবারে জন্ম গ্রহন করেন।

তাহার পিতা মরহুম চাঁন মিয়া সাবেক ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মানীত সদস্য ৩বার ও একজন মুক্তিযোদ্ধা। জনগণের ইচ্ছা পূরণে ও উপজেলার অসমাপ্ত কাজকে সমাপ্ত করার লক্ষে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রাার্থী হতে চান আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান আলমগীর কবির। আলমগীর কবির ছাত্র জীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে নেতৃত্ব দেন। একাধারে একজন রাজনীতিবিদ,সালিশ ব্যাক্তিত্ব এবং ক্রীড়া সংগঠক ও বটে।

তিনি বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, তিনি স্থানীয় জনতা উচ্চবিদ্যালয় ও খয়েরদিরচর দাখিল মাদ্রাসার ৫বারের ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি। সাবেক সভাপতি ইউ,সি,সি,এলিঃ বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান ৪বার,অজীবন দাতা সদস্য ধর্মপাশা ডিগ্রী কলেজ, অজীবন দাতা সদস্য জনতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, অজীবন দাতা সদস্য বাদশাগঞ্জ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়।

সাবেক সংগঠনিক সম্পাদক ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগ ৩বার, সাবেক যুগ্ন আহবায়ক ধর্মপাশা উপজেলা যুবলীগ,সাবেক সহ-সভাপতি ধর্মপাশা উপজেলা ছাত্রলীগ,তিনি একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বটে। তিনি স্কুল, মসজিদ,মাদ্রাসা ও মন্দিরের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে নিজ অর্থায়নে সহযোগিতা করেন এবং হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী ও রোগীদের সেবা করে যাচ্ছেন।

ধর্মপাশায় শিক্ষা বিস্তারে তার অবদান অস্বীকার করার মত নয়। দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগের জৈষ্ঠ্য সহ সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য হওয়া সত্যেও উপজেলার প্রতিটি গ্রাম,ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে প্রসারিত করতে কঠোর পরিশ্রম করেছেন এ নেতা। ফলে উপজেলার প্রতিটি গ্রাম,ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে রয়েছেন তার নিজস্ব কিছু মানুষ। ইতি মধ্যে আলমগীর কবীরের পক্ষে শুরু হয়েছে ধর্মপাশার প্রতিটি ইউনিয়নে,ওয়ার্ডে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনী প্রচারনায় ও গণসংযোগ।

গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে উপজেলার প্রতিনিটি সভা,সমাবেশ ও জনসমাবেশে তার উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যনীয়। দীর্ঘ দিনের সামাজিক কার্যক্রম, দলীয় কার্যক্রম ও ব্যক্তিগত ইমেজকে কাজে লাগিয়ে আগামী আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন নিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে এ উপজেলাটি প্রাধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে চান তিনি।

আলমগীর কবীর বলেন, আমি আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান তাই আওয়ামীলীগ জননেত্রী শেখ হাসিনা। “জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা একজন দূরদর্শী নেতা, বিশ্ব শীর্ষ দশ নেতৃত্বের অন্যতম। তিনি মেধাবী ও প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ নেতৃত্ব পছন্দ করেন এবং নেতৃত্বের বিকাশ করতে জানেন ও ভালবাসেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দল যদি আমাকে মনোনয়ন দান করেন, আমি আমার সাংগঠনিক কর্মদক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিষ্ঠার সাথে দল, এলাকা ও দেশের জন্য কাজ করব এবং তাৎপর্যপূর্ণ আবদান রাখতে পারব বলে মনে করি এবং নির্বাচনে জয়ী হয়ে জনগণের আশা আকাক্ষার প্রতিফলন গঠাবো ইনশাআল্লাহ।