জাবিতে শিবির সন্দেহে হিন্দু শিক্ষার্থীকে মারধর

প্রকাশিত: ৬:৩৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৬, ২০১৯ | আপডেট: ৬:৩৩:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৬, ২০১৯

শাহাদাত সুমন, জাবি প্রতিনিধি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে আন্দোলনরতদের ওপর ছাত্রলীগের হামলায় ৩৫ জনের মত আহত হন।

মঙ্গলবার এই ঘটনাটি ঘটে। হামলার সময় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা তিনজন হিন্দু ছাত্রকেও শিবির বলে পিটিয়েছে। সেই তিন হিন্দু ছাত্র হলো- সৌমিক বাগচি, সুদীপ্ত দে ও অমর্ত্য রায়। আজ ৬ নভেম্বর সংহতি সমাবেশে বক্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এ বিষয়ে সৌমিক বাগচি বলেন, তারা আমাকে লক্ষ করে বলতে থাকে এ শিবির করে। তারপর আমরা উপর চড়াও হয়ে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে।
এ বিষয়ে আন্দোলনের মুখপাত্র অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, শিবির ট্যাগ দিয়ে আন্দোলন দমানো পুরোনো কৌশল। কিন্তু আমরা শিক্ষক, সাংস্কৃতিক জোট ,প্রগতিশীল ছাত্রজোট মিলে আন্দোলন পরিচালনা করছি।এখানে শিবিরের কোন ঠাই নাই।

আন্দোলনকারীরা জানান, আন্দোলনে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে তাদের পরিকল্পিতভাবে শিবির ট্যাগ দিচ্ছে। গতকাল তারা এই তিন জন হিন্দু ছেলেকে লক্ষ করে বলেন,‘ধর ধর এরা শিবির করে ,এদের মারো। তারপর তাদের উপর ছাত্রলীগ কর্মীরা চড়াও হয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। পরবর্তীতে তারা মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়েছে সুস্থ বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে অপসারণের দাবিতে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় সাংবাদিকসহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়।