জামায়াতের নেতাকর্মীরা যদি এ দেশের নাগরিক হয় তাদেরকে রাজনীতি করতে দিতে হবে : কর্নেল অলি

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:৫২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৯ | আপডেট: ৮:৫২:অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৯

‘জামায়াত যারা করে তারা যদি এ দেশের নাগরিক হয় তা হলে তাদের রাজনীতি করতে দিতে হব’ এ কথা বলেছেন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ । সরকার তাদের নিষিদ্ধ করে নাই। বিদেশিদের কথায় নিজের বউকে ডিভোর্স দেয়া যায় না।’

রাজধানীর তেজগাঁও দলীয় কার্যালয়ে শনিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ নিয়ে এলডিপির মনোভাব জানতে চাইলে এ সব কথা বলেন তিনি।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট্রের নির্বাচিতরা শপথ নিলে বেঈমান বলে বিবেচিত হবেন এমন মন্তব্য করে অলি আহমদ বলেন, ‘বিরোধী দলের অনেকে সরকারের টাকায় নির্বাচন করেছেন। বিরোধী দলে থেকে তারা বড় বড় কথা বলে, আবার সরকারের টাকায় নির্বাচন করে।’

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে অলি বলেন, ‘আমরা নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়েছি। তারপরও প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি আহ্বান জানিয়েছেন সে জন্য আমি বলতে চাই, অবিলম্বে দেশের সৎ ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিকদের নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের ব্যবস্থা নিন। অন্যথায় মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে বেশি দূর এগোনো সম্ভব নাও হতে পারে।’

অবিলম্বে দেশের সৎ ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিকদের নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন এলডিপির সভাপতি ড. কর্নেল অলি আহমদ। তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখান করে পুনঃনির্বাচনের দাবি করলেও যেহেতু প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি আহবান জানিয়েছেন সেজন্যে আমি বলতে চাই অবিলম্বে দেশের সৎ ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিকদের নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের ব্যবস্থা নিন। অন্যথায় মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে বেশিদূর এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।

কর্নেল অলি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর দিনে ড্রামা হয়েছে আর রাতে ব্যালট কাটা হয়েছে। ৮০ ভাগ ব্যালটে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর নেই। ৯৫ ভাগ ভোটার কেন্দ্রে গিয়ে ব্যালট চোখে দেখার সুযোগ পায়নি। গত ৩/৪ বছর পর্যন্ত দিনের বেলায় হয় ড্রামা আর রাতের বেলায় হয় ভোট। টাকা জমা দেয়ার পর ও রেজাল্ট শীট দিচ্ছে না রিটার্নিং কর্মকর্তা।

Add Image

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কবর রচনা হয়েছে। মিথ্যার উপর ভিক্তি করে সরকার বেশি দিন টিকবে না।
সরকার জাতীয় ঐক্য চাইলে রাজনৈতিক বিবেচনায় যে সব বিরোধী নেতা কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মুক্তি এবং মামলা প্রত্যাহার করার আহবান জানান তিনি।

তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা শপথ নিলে বেইমান বলে বিবেচিত হবে। বিরোধী অনেক প্রার্থী সরকারের টাকায় নির্বাচন করেছে।

এ সময় তিনি আরো বলেন,পরবর্তীতে পুনর্নিবাচনের দাবি। উপজেলায় অংশ নিবেনা এলডিপি। বিচার বিভাগ সরকারের নিয়ন্ত্রণে তাই নির্বাচন নিয়ে মামলা করে কোন ফল হবে না, আর করলেও মামলায় তাদের পক্ষেই রায় দিবে আদালত এ জন্য মামলা করবে না ২০ দল।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে এলডিপির মহাসচিব ড. রেদওয়ান আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদত হোসেন সেলিম, সহ-সভাপতি মোখফার উদ্দিন চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক বিল্লাল হোসেন মিয়াজি, যুব বিষয়ক সম্পাদক সফিউল বারী রাজু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Add Image