জিয়া খানকে জামা খুলতে বলেছিলেন সাজিদ

টিবিটি টিবিটি

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:২৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২১, ২০২১ | আপডেট: ৫:২৪:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২১, ২০২১

২০১৮ সালে পরিচালক সাজিদ খানের বিরুদ্ধে মিটুর অভিযোগ এনেছিলেন বলিউডের একাধিক নায়িকা। ফের একবার যৌন হেনস্থার অভিযোগ ‘হাউজফুল’, ‘হে বেবি’ খ্যাত পরিচালকের বিরুদ্ধে। এর আগে সোনালি চোপড়া ও ব়্যাচেল হোয়াইটের আনা মিটু (MeToo) অভিযোগের জেরে হাউজফুল ৪-এর পরিচালকের আসন ছেড়ে দিতে হয়েছিল সাজিদকে। ফারহা খানের ভাইয়ের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছিলেন এক মহিলা সাংবাদিকও।

এবার প্রয়াত অভিনেত্রী জিয়া খানের বোন কারিশ্মার অভিযোগ, ‘জিয়াকে যৌন হেনস্থা করেছেন সাজিদ’।

প্রয়াত অভিনেত্রী জিয়া খানকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্র বানিয়েছে বিবিসি। নাম ‘দ্য ডেথ ইন বলিউড। তবে এই তথ্যচিত্র ভারতে মুক্তি পাবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ। কিন্তু তা সত্ত্বেও গ্ল্যামার ইন্ডাস্ট্রি ইতিমধ্যেই এই তথ্যচিত্র নিয়ে সরগরম। ওই তথ্যচিত্রেরই একটি ক্লিপ এখন নেট দুনিয়ায় ভাইরাল।

ক্লিপটি জিয়া খানের বোনের উক্তি। ভিডিওতে তিনি একটি ভয়ানক অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। সাজিদ খানকে তিনি জিয়া খানকে যৌন হেনস্তার অভিযোগে অভিযুক্ত করছেন। জিয়া খানের বোন বলেছেন, ঘটনাটি ঘটে ‘হাউজফুল’ ছবির সময়। তখন জিয়া খানকে টপ খুলতে বলেছিলেন সাজিদ। বাড়ি ফিরে কেঁদে ফেলেছিলেন জিয়া। বলেছিলেন, আমি চুক্তিবদ্ধ। যদি আমি ছেড়ে দিই ওরা আমার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে। আমার নামে অপবাদ দিতে পারে। যদি আমি থেকে যাই, তাহলে আমাকে যৌন হেনস্তার শিকার হতে হবে। জিয়া খানের বোনের এই ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর তার পাশে দাঁড়িয়েছেন কঙ্গনা।

ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন এখানে

টুইটারে তিনি লিখেছেন, ওরা জিয়াকে মেরেছে। সুশান্তকে মেরেছে। আমাকে মারার চেষ্টা করেছে। ওদের প্রতি মাফিয়াদের সম্পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। তাই প্রতিবছর তারা আরো শক্তিশালী ও সফল হচ্ছে। কঙ্গনা আরো বলেন, যদি নিজেকে না রক্ষা করা হয়, তবে কেউ তাকে রক্ষা করতে পারে না। ২০১৩ সালের ৩ জুন মুম্বাইয়ের বাড়িতে জিয়া খানের মৃতদেহ পাওয়া যায়। তার রহস্যজনক মৃত্যু অনেক দিন ধরেই খবরে ছিল। জিয়া খানের মা রাবিয়া খান অভিযোগ তোলেন, জিয়া আত্মহত্যা করেননি। তাকে খুন করা হয়েছে।

জিয়ার সুইসাইড নোটে আদিত্য পাঞ্চলির ছেলে সুরজ পাঞ্চোলির নাম পাওয়া যায়। ২০১৮ সালে সুরজ পাঞ্চোলিকে মুম্বাই আদালতে তোলা হয়। জিয়া খানকে নিয়ে যে তথ্যচিত্রটি বানানো হয়েছে, সেখানে তদন্তের এই সম্পূর্ণ গতিপ্রকৃতি দেখানো হবে। ২০২১ সালের ১১ জানুয়ারি ব্রিটেনে এই তথ্যচিত্রটি মুক্তি পায়।