জোর করে বাল্যবিয়ে দেওয়ায় কিশোরগঞ্জে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা

মাফি মহিউদ্দিন মাফি মহিউদ্দিন

কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) উপজেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৯:১২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০ | আপডেট: ৯:১২:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০

কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ জোর করে বাল্য বিয়ে দেওয়ায় গলায় দঁড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে পিংকি আক্তার(১৪) নামে স্কুল ছাত্রী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের বসুনিয়া পাড়া গ্রামের মেয়েটির নানার বাড়িতে। নিহত পিংকি একই ইউনিয়নের বোর্ড অফিসপাড়া গ্রামের কৃষক রাজু মিয়ার মেয়ে ও চঁাদখানা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী। বিকালে পুলিশ পিংকির লাশ ময়না তদন্তের জন্য উদ্ধার করে জেলার মর্গে প্রেরন করে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ৩২ দিন আগে পিংকির সঙ্গে বিয়ে হয় নীলফামারী সদরের চাপড়া সরনজামী ইউনিয়নের লতিফচাপড়া গ্রামের সাঈদুল ইসলামের ছেলে লাজু মিয়া(২৫) সাথে। লাজু মিয়া উত্তরা ইউপিজেডের একটি কারখানার শ্রমিক।

এলাকাবাসী জানায়, বাল্য বিয়েতে মত ছিল না পিংকির। বিয়ে হলেও পিংকিকে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেয়া হয়নি। তাই সে বাবার বাড়ি ছেড়ে নানা শাহাদৎ হোসেনের বাড়িতে থাকতো।

বুধবার তার স্বামী শ্বশুড়বাড়ি গেলে তাকে পাঠিয়ে দেয়া হয় পিংকির অবস্থানের নানার বাড়িতে। সেখানে তার স্বামী রাতে অবস্থান করে। এ অবস্থায় সবার অগোচরে সে ঘরের ভেতর গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্নহত্যা করে বলে পরিবারের দাবি। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ পিংকির অনিচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে বাল্যবিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ থানার ওসি মোঃ আব্দুল আউয়াল বলেন, বাল্য বিয়ের কারনে পিংকির আত্নহত্যার ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা নিয়ে লাশ ময়না তদন্তের জন্য জেলার মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।