জয়দেবপুর জংশনে সকল ট্রেনের যাত্রাবিরতিসহ ১০ দফা দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট

প্রকাশিত: ৭:০৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ২, ২০২১ | আপডেট: ৭:০৪:অপরাহ্ণ, মার্চ ২, ২০২১

জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশনে সকল আন্ত:নগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি, ট্রেনের বগি বৃদ্ধি ও নারী যাত্রীদের জন্য বগি সংযোজনসহ ১০ দফা দাবিতে ঘণ্টাব্যাপী নগরীর জয়দেবপুর রেল জংশনে অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করা করেছে । মঙ্গলবার সকাল সাতটা থেকে আটটা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী নগরীর জয়দেবপুর রেল জংশনে গাজীপুর প্যাসেঞ্জার কমিউনিটি এ অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করেছে।

গাজীপুর প্যাসেঞ্জার কমিউনিটি সংগঠনের সভাপতি প্রকৌশলী মো. সামসুল হকের সভাপতিত্বে কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধা হাতেম আলী, আওয়ামীলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম, হোসনে আরা সিদ্দিকা জুলি, মোহাম্মদ শরীফ হোসাইন প্রমুখ। কর্মসূচি চলাকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবী, আইনজীবী, সাংবাদিক সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েকশো নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করে।

সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী সামসুল হক জানান, করোনাকালীন সময়ে ‘অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প” নামে একটি প্রকল্প চালু কওে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। প্রকল্পটির মাধ্যমে রেলওয়ে পরিচারিত ট্রেনগুলিতে আসনবিহীন যাত্রী নিয়ন্ত্রণ করা হলেও বেসরকারি ভাবে চালিত ট্রেনগুলি চলছে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে গাদাগাদি, ঠাসাঠাসি যাত্রী নিয়ে। এতে সীমাহীন কষ্টে পড়েছে গাজীপুর থেকে ঢাকায় যাতায়তকারী নিয়মিত যাত্রীরা। তাই অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প” না কওে সেটিকে অতিরিক্ত যাত্রী ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট করার দাবি জানান।

কর্মসূচি চলাকালে বক্তারা বলেন , প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষ গাজীপুর জেলা ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাস করে। শিল্পায়নের কেন্দ্রবিন্দু এবং কর্মসংস্থান ও জনসংখ্যার বিবেচনায় ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তরের সমান সংখ্যক যাত্রী এবং গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্বেও নয়টি আন্তঃনগর ট্রেন জয়দেবপুর জংশনে কোন স্টপেজ দেয়া হচ্ছে না। যদিও স্বল্প দূরত্বের অনেক স্টেশনেরই ষ্টপেজ দেয়া হচ্ছে। গাজীপুরে ষ্টপেজ না থাকা এবং চাহিদা অনুযায়ি টিকেটে না পাওয়ার কারণে গাজীপুরের যাত্রীদের এয়ারপোর্ট থেকে যাতায়ত করতে হয়। ফলে এয়ারপোর্ট-গাজীপুর যাওয়া-আসা সড়ক পথে বাড়তি যাত্রী চাপ সৃষ্টি করছে এবং যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছে।

বক্তারা আরো বলেন, গাজীপুরের ৭০ লক্ষ মানুষের এই যুক্তিক দাবি মেনে নেয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর কঠোর কর্মসূচি প্রদান করা হবে।