ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২০

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৫৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১, ২০১৮ | আপডেট: ১২:৫৬:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১, ২০১৮

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা হিরাডাঙ্গা গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংগর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১০টি বাড়ি ও দোকানপাট ভাংচুর করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৬ জন। এর মধ্যে হিরণ গ্রুপের ৩ জন ও রাজা গ্রুপের ১৩ জন ভর্তি হয়েছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

শনিবার সকালে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হিরণ ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ইব্রাহীম খলিল রাজার সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষের লোকজন ঢাল, ভেলা ও দেশিয় তৈরি ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

সংঘর্ষে হাসপাতালে ভর্তি আহতরা হলেন- হীরাডাঙ্গা গ্রামের আবু তৈয়ব, আব্দুল মালেক বিশ্বাস, মোহন বিশ্বাস, আব্দুল আলীম, টিপু, হাফিজুর রহমান, মিজানুর রহমান, মকবুল, রুবেল, রেজাউল ইসলাম, রাজিব, রাশেদ আলী, হাসমত আলী, আখতার, মোতাহার হোসেন ও মিজান।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হিরণের সমর্থক মিজানুর রহমান বলেন, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে প্রতিপক্ষ রাজা গ্রুপের লোকজন আমাদের ওপর অত্যাচার করে। আজও তারা দল বেধে হামলা করে তাদের ৩ জনকে জখম করে।

অন্যদিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ইব্রাহীম খলিল রাজার সমর্থক মোহন বিশ্বাস জানান, হিরণ গ্রুপের লোকজন তাদের বাড়িঘরে ইটপাটকেল মারে। ছাগল গরু লুটপাট করে। গ্রামে শান্তিতে বসবাস করতে দেয় না। শনিবার তারা আকস্মিকভাবে হামলা চালিয়ে তাদের ১০টি বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাট করে।

সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হিরণ জানান, সামাজিক বিরোধ নিয়ে মারামারি হয়েছে বলে আমি শুনেছি।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি ইমদাদুল হক শেখ জানান, হিরাডাঙ্গা গ্রামে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষে বেশ কয়েখজন আহত হয়েছেন। কিছু বাড়িও ভাংচুর হয়েছে। আমরা নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তবে এ ব্যাপারে এখনো কোন মামলা হয়নি। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।