টঙ্গীতে জুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে খুনের ঘটনার তীর কোন দিকে?

প্রকাশিত: ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৯ | আপডেট: ১১:৫৩:পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৯
সংগৃহীত

নাসির উদ্দীন বুলবুল, গাজীপুর প্রতিনিধি: টঙ্গীর পশ্চিম থানা এলাকার কাঁঠাল দিয়া ন্যাশনাল পলিমার কারখানার জুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রন ও আধিপত্ত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ সমর্থিত দু’পক্ষের সংঘর্ষে খুনের ঘটনার তীর কোন দিকে?

এনিয়ে নানা প্রশ্ন এখন জনমনে। প্রকাশ্যে খূনের ঘটনা ঘটলেও মামলার এজাহারে নাম নেই কারো। অজ্ঞাতনামা মামলায় গ্রেফতার আতঙ্কে অনেকে। এলাকাবাসী জানায়, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের টঙ্গীর ৫৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক কাউন্সিলর মো. সেলিম মিয়া ও মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. সাইফুল ইসলামের মধ্যে বেশ কিছুদিন যাবৎ বিভিন্ন মিল-কলকারখানার জুট ও পরিত্যক্ত মালামাল এবং ন্যাশনাল পলিমার কারখানার ড্রাম উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিলো।
Add Image
এরই জের ধরে গত ২৩জানুয়ারী বুধবার সাইফুল ইসলাম সমর্থিত ও সেলিম মিয়ার সমর্থিতদের সাথে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে রাজ্জাক হোসেন শিমুল চৌধুরী খুন হয়। এসময় আরো পাঁচজন আহত হয়।

এলাকাবাসী আরো বলেন কাঁঠালদিয়া এলাকায় যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবৎ একচেটিয়া ভাবে টঙ্গীর জুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রনসহ বিভিন্ন ফ্যাক্টরীতে ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।

যার ফলে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ বিরাজ করছিলো। তারই পরিপ্রেক্ষিতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে রাজ্জাক শিমুল চৌধুরী খুন হয়েছেন। এব্যাপারে টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো.এমদাদ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম ও সেলিম মিয়ার মধ্যে মারামারির বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান।

এদিকে রাজ্জাক হোসেন শিমুল চৌধুরীর খুন হওয়ার পর গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৫৩নং ওয়ার্ড কাঁঠালদিয়া গ্রামে প্রকাশ্যে দিবালোকে সসস্ত্র সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে হত্যা করে। এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সকল খুনিদের ফাঁসি চেয়ে টঙ্গীস্থ বৃহত্তর নোয়াখালী ঐক্য পরিষদ এলাকা জুড়ে পোষ্টার টানিয়ে শিমুলের হত্যার বিচারের দাবি করেন।