টঙ্গীর আলোচিত শাহীন হত্যা মামলার ৪ আসামী গ্রেফতার করলো পিবিআই

প্রকাশিত: ৫:০০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১ | আপডেট: ৫:০০:অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১

গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানার আলোচিত শাহীন হত্যা মামলার প্রায় আড়াই বছর পর ৪ আসামীকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই পুলিশ। তারা হলো, মো. আমির হোসেন (৩৯), আহম্মেদ আলী (৪০), মোঃ সুরুজ মিয়া (৬০), মোঃ মোবারক হোসেন(৫০)। তাদেরকে টঙ্গীর মধ্য আরিচপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। তারা সকলেই আরিচপুর এলাকায় বাড়া বাসায় করতো।

পিবিআই গাজীপুর জেলা পুলিশ পরিদর্শক ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান পিপিএম, জানান, ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২ টার সময় টঙ্গী পূর্ব থানাধীন মধ্য আরিচপুর শেরে বাংলা রোডস্থ নেকার বাড়ীর পার্শ্ববর্তী রাস্তার উপর কতিপয় লোক ভিকটিম মো. শফিকুল ইসলাম শাহিন (২৪) পূর্ব আরিচপুর বউ বাজারের ইসমাইল গাজীর বাড়ীর ভাড়াটিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো চাকু দিয়ে আঘাত করে ও লোহার রড, লাঠিসোঠা দিয়ে এলোপাথারী ভাবে মারপিট করে চলে যায়।

এলাকাবাসি ভিকটিমকে উদ্ধার করে টঙ্গী ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারী হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে। নিহত শাহীনের পিতা মো. শাহ আলম বাদী হয়ে টংগী পূর্ব থানায় অজ্ঞাতনামা ১০০/১৫০ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করলে টংগী থানার মামলার নং-০৬ তারিখ-০২/১০/২০১৮ রুজু হয়। মামলাটি জিএমপি টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ ৭ মাস তদন্ত করে বিজ্ঞ আদালতে চূড়ান্ত রিপোর্ট সত্য দাখিল করেন। বিজ্ঞ আদালত মনে করেন যে, মামলাটি একটি হত্যা মামলা, হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন হওয়া জরুরী মর্মে প্রতিয়মান হওয়ায় স্বপ্রণোদিত হয়ে অত্র মামলাটি পুনঃ তদন্তের জন্য পিবিআই, গাজীপুর জেলাকে নির্দেশ প্রদান করেন। পিবিআই গাজীপুর জেলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. হাফিজুর রহমান পিপিএম মামলাটি তদন্তকালে ডিআইজি পিবিআই বনজ কুমার মজুমদার, বিপিএম (বার), পিপিএম এর সঠিক তত্ত্বাবধান ও দিক নির্দেশনায় পিবিআই গাজীপুর ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান এর সার্বিক সহযোগিতায় আসামীদের গ্রেফতার করা হলো।

আসামীদেরকে গত বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হয়। বিজ্ঞ আদালতে আসামী মো. সুরুজ মিয়া এবং মো. মোবারক হোসেন নিজেদেরকে এবং ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামীদের নাম উল্লেখ করে সেচ্ছায় ফৌঃকাঃবিঃ এর ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।