টিকাদানের প্রথম দিনেই পশ্চিমবঙ্গে বিকল অ্যাপ

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:৩১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৬, ২০২১ | আপডেট: ৫:৩১:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৬, ২০২১

আজ থেকে ভারতজুড়ে শুরু হয়েছে করোনার টিকাকরণ কর্মসূচি। তবে শুরুর আগেই সমস্যা দেখা দিয়েছে কো-উইন অ্যাপে। করোনা ভ্যাকসিন কারা পেলেন এবং পেতে চলেছেন, এমন ব্যক্তিদের নাম নথিভুক্ত হওয়ার কথা এই অ্যাপটির মাধ্যমে। কিন্তু আপাতত এ রাজ্যে প্রতিষেধক নেওয়ার আগে ও পরে কো-উইন অ্যাপে নাম তোলা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য অধিদফতর। তার বদলে রেজিস্ট্রেশন এবং প্রতিষেধক দেওয়ার পরে হাতে লেখা স্লিপ দেওয়া হবে গ্রাহককে।

প্রশাসন সূত্রে খবর, নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণেই এমন সিদ্ধান্ত। আজ প্রতিটি কেন্দ্রে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য যে একশো জনের নাম রয়েছে, তাঁদের নাম কো-উইন অ্যাপে নথিভুক্ত করার কথা।

কিন্তু নাম তুলতে গিয়ে দেখা যায়, এক-একটি নামের জন্যই অতিরিক্ত সময় লাগছে। সারা দেশ জুড়ে ওই অ্যাপের ব্যবহার চলছে। তার ফলে সার্ভার বসে যাওয়াতেই সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই প্রথম দিনে আপাতত ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কাজের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, করোনা টিকা যারা নেবেন তাদের ‘কো-উইন’ অ্যাপের মাধ্যমে নাম নথিভুক্ত করতে হবে বলে আগেই জানিয়েছিল দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। এমনকি শনিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জানান সে কথা।

টিকা প্রাপকের নাম, ঠিকানা, বয়স, ফোন নম্বর-সহ নানা তথ্য এই অ্যাপের মাধ্যমেই সংরক্ষিত রাখার নিয়ম। কিন্তু সফটওয়্যারের সমস্যার কারণে প্রথম দিনের কর্মসূচিতে তা সম্ভব হয়নি।

শনিবার যাদের করোনা প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছে, তারা মূলত চিকিৎসাকর্মী। তাই আগে থেকেই কিছু তথ্য সংরক্ষিত ছিল। টিকা দেওয়ার আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিযুক্ত ভলান্টিয়ার অফিসার (ভিও)-রা তা মিলিয়ে দেখেছেন।

ব্রিটিশ-সুইডিশ সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রযুক্তি নিয়ে সিরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড এবং ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন, এই দু’টি প্রতিষেধক নিয়ে ভারতে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হল শনিবার। তার জন্য সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৩ হাজার ৬টি টিকাকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে।

প্রথম দফায় সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যকর্মীদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রথম দিনে প্রতিটি কেন্দ্রে ১০০ জনের শরীরে প্রতিষেধক প্রয়োগের লক্ষ্য রাখা হয়েছে। অর্থাৎ প্রথম দিনেই প্রায় ৩ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী প্রতিষেধক নেবেন।