টিকা নেওয়ার এক মাস পর সুরক্ষা পাওয়া যায়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:১২ অপরাহ্ণ, জুন ১৮, ২০২১ | আপডেট: ৬:১২:অপরাহ্ণ, জুন ১৮, ২০২১
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ফাইল ছবি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন বলেছেন, দেশে টিকা কর্মসূচি এখনও পুরোপুরিভাবে চালু করতে পারিনি। আমরা আশা করছি খুব শিগগিরই টিকা পেয়ে যাবো। চীন ও রাশিয়ার কাছ থেকে টিকা পাবো এবং ভারতের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে সেখান থেকেও পাবো। কিন্তু এখনও তা পাওয়া যায়নি। টিকা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে কিন্তু একজন মানুষ সুরক্ষা হয় না, তারও এক মাস সময় লাগে।

আজ শুক্রবার (১৮ জুন) দুপুরে মানিকগঞ্জ গড়পাড়া নিজ বাসভবনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ সব কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসরাফিল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকার, সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন, বালিয়াটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রুহুল আমীন, ধানকোড়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল রউফ, সাটুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন পিন্টু, তিল্লি ইউপি চেয়ারম্যান মোরসালিন বাবু প্রমুখ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ভারতে ডেল্টা ভেরিয়্যান্ট আমাদের দেশেও এসেছে, এর সংক্রমণের ক্ষমতা ৫০ ভাগের বেশী। কাজেই এই সময়টা আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, নিজেদের রক্ষা করতে হবে, পরিবারকে রক্ষা করতে হবে, দেশকে রক্ষা করতে হবে।

তিনি বলেন, উত্তর বঙ্গের হাসপাতাল করোনা রোগীতে ভরে গেছে। রোগীদের সামাল দেওয়া কঠিন হচ্ছে। আমরা চাই না ঢাকা ও দেশের অন্যান্য জেলাগুলো এই সমস্যা দেখা দেখ। দেশে যখন করোনা নিয়ন্ত্রণে ছিল, তখন সারা দেশের হাসপাতালে ১৫শ’র মতো রোগী ছিল। সংক্রমণ বাড়ায় বর্তমানে সারা দেশে ৪ হাজারের মতো রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছে এবং প্রত্যেক দিন প্রায় ৪ হাজারের কাছে নতুন রোগী আক্রান্ত হচ্ছে। বর্তমান এই হারে যদি রোগী বাড়ে, তাহলে হাসপাতাল গুলোতে করোনা রোগীদের জায়গা দেওয়া কঠিন হয়ে যাবে।

জাহিদ মালেক আরও বলেন , যে সমস্ত দেশে করোনা নিয়ন্ত্রণে নাই বা ছিল না সেই সমস্ত দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমাদের অর্থনীতি এখনও ভালো আছে। এখনও লোকজন কাজ করছে। কিন্তু করোনা যদি বৃদ্ধি পেয়ে যায়, তাহলে যে লকডাউন হচ্ছে, আরও লকডাউন দিতে হয়, যানবাহনে যদি লকডাউন দিতে হয়, তাহলে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ কারণেই সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের কাজ করতে হবে। এর বাইরে কোনো সুযোগ নেই।