টিবি ক্লিনিক এলাকার একটি মেস থেকে মোটরসাইকেল চুরি

শহিদ জয় শহিদ জয়

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৯:৩৭ অপরাহ্ণ, জুন ৩, ২০২০ | আপডেট: ৯:৩৭:অপরাহ্ণ, জুন ৩, ২০২০
প্রতীকী

যশোর শহরের টিবি ক্লিনিক এলাকার একটি মেসে দিনে দুপুরে জোর করে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার দুপুরে ৭/৮ জনের একটি দল ওই এলাকার দিলীপ ঘোষের মালিকানাধীন মেসে ঢুকে আমিত সরকার নামে এক ছাত্রের একটি টিভিএস কোম্পানির আরটিআর ব্রান্ডের মোটরসাইকেল (যশোর-ল-১২-৭৮৬৭) জোর করে নিয়ে গেছে।
এছাড়া অমিত সরকারের কাছ থেকে দুইটি হাতঘড়ি ও মানিব্যাগ থেকে ৫ শতাধীক টাকা নিয়েছে। যাওয়ার সময় তার কাছ থেকে একটি সাদা স্ট্যাম্পে সাক্ষর করে নিয়েছে।
বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরা গাইদঘাট গ্রামের অবনি সরকারের ছেলে অমিত সরকার জানিয়েছেন, তিনি যশোর সরকারি এমএম কলেজের ভ’গোল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। টিবি ক্লিনিক এলাকার ওই মেসে থেকে লেখাপড়া করেন। মোটরসাইকেল যোগে তিনি কলেজ থেকে মেসে যাতায়াত করে থাকেন। অনেক দিন বন্ধ থাকার পর যশোরের লকডাউন প্রত্যাহার হলে মেসে আসেন। ওই মেসে ১৫ জন ছাত্র থাকেন। বর্তমানে ৬/৭ জন আছেন। বুধবার বেলা ২টার দিকে কে বা কারা গেটে শব্দ করতে থাকে।

গেটের কাছে গেলে খুলতে বললে মেসের লোকজন খুলে দেয়। সে সময় ৭/৮ জন মেসের মধ্যে ঢুকে কী যেন খোজাঁখুজি করতে থাকে। বারান্দায় রাখা

মোটরসাইকেলটি দেখে বলে এটির মালিক কে। পরে অমিত নিজে মালিক বললে তারা তার কাছে যায়। একটি মোটরসাইকেলের চাবি নেয়। পরে তার কাছ থেকে দুইটি হাতঘড়ি, মানিব্যাগ থেকে ৫ শতাধিক টাকা নেয়। পরে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার কথা উল্লেখ করে একটি ১শ’ টাকা মূল্যের নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে সাক্ষর করে মোটরসাইকেল নিয়ে চলে যায়। পরে পুলিশে সংবাদ দিলে সদর ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক তুষার কুমার মন্ডল সেখানে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে।

অমিত আরো জানিয়েছেন, তিনি ওই দুর্বৃত্তদের কাউকে চেনেন না। কারোর সাথে তার কোন দিন গোলযোগ হয়নি। কোন দেনা পাওয়াও নেই কারোর কাছে। যারা মেসে ঢুকেছিল তাদের কাউকে তিনি চেনেন না। দুর্বৃত্তদের সকলে বয়স ১৮ থেকে ২২ বছরের মধ্যে হবে।

এ বিষয়ে সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক তুষার কুমার মন্ডল জানিয়েছেন, সংবাদ পেয়ে মেসে গিয়ে বিস্তারিত শুনে এসেছি। ভুক্তভোগিকে লিখিত আকারে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।