ডাক্তার-পুলিশ বিতর্ক : ‘আসল সত্য’ সামনে আনলেন প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক

প্রকাশিত: ৮:৪৯ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০২১ | আপডেট: ৮:৪৯:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০২১
ছবি: সংগৃহীত

ইংরেজি প্রবাদ ‘টক অব দ্য টাউন’ অর্থাৎ বহুল আলোচিত বিষয় হিসেবে বর্তমানে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে লকডাউনে এক নারী চিকিৎসকের সাথে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা এবং এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের বাকবিতণ্ডার ভিডিও। আর সেই ভিডিওকে কেন্দ্র করে পক্ষে-বিপক্ষে আর নিরপেক্ষতায় বিভক্ত নেটিজেনরা।

রোববার (১৮ এপ্রিল) ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায়, লকডাউনের মাঝেই প্রাইভেটকার নিয়ে বের হওয়া এক নারী যাত্রীর কাছে পরিচয়পত্র দেখতে চাইছেন লকডাউন বিধিমালা বাস্তবায়নে দায়িত্বরত প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

এরই প্রেক্ষিতে ভিডিওতে যা নেই, সেই ‘আসল সত্য’ তুলে ধরেছেন প্রত্যক্ষদর্শী একজন সাংবাদিক।

ঘটনাটি ঘটে রাজধানীর এলিফেন্ট রোডে। ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশের দল এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নারী চিকিৎসক কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছেন না। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পাশাপাশি গালিগালাজও করা হয়েছে দুই পক্ষ থেকে।

পুলিশ আইডি কার্ড চাইতেই পারে, এক্ষেত্রে চিকিৎসক সাঈদা শওকত জেনির রেগে যাওয়া এবং তুই-তোকারি আর গালিগালাজ করা উচিত হয়নি- এমন মন্তব্য করছেন অনেক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারী। এ প্রসঙ্গে ওই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা সাংবাদিক আহমেদ রাজু বলেন, একটা খণ্ডিত ভিডিও প্রচার করে চিকিৎসককে দোষারোপ করা হচ্ছে।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আহমেদ রাজু বলেন, ভিডিওর আগের ঘটনা না জেনেই সবাই কথা বলছে। নারী চিকিৎসকের কাছে বিএসএমএমইউর পরিচালকের লিখিত পাস ছিলো। গাড়িতে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনকৃত স্টিকার। শুধু অ্যাপ্রোন নয়, সেখানে নাম লেখা মনোগ্রাম ছিলো। তিনি সেসব দেখিয়েছেনও। কিন্তু তারপরও পুলিশ তাকে ভুয়া বলেছে।

শুধু তাই নয়, ওই নারী চিকিৎসককে চার-পাঁচজন পুলিশ সদস্য মিলে আরও অপমান করেছেন। তাকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায়ে কারাগারে থাকা পাপিয়ার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে! এমন ভয়ানক অপমানের পর যে কারও রেগে যাওয়া স্বাভাবিক। ওই চিকিৎসকও রেগে গিয়েছেন।