‘ড্যাডি, দ্রুত ফিরে এসো’, ওয়ার্নারের মেয়ের বার্তায় আবেগতাড়িত সামাজিক মাধ্যম

টিবিটি টিবিটি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:০৫ অপরাহ্ণ, মে ৫, ২০২১ | আপডেট: ৯:০৫:অপরাহ্ণ, মে ৫, ২০২১

করোনার জেরে মরসুমের মাঝপথেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে আইপিএল। ইতিমধ্যেই দেশে ফেরার তোড়জোড় করছেন বিদেশি ক্রিকেটাররা। তবে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটাররা একটু বেশি সমস্যায়। কারণ, ভারত থেকে আপাতত সে দেশে ঢোকা নিষিদ্ধ। এর মাঝেই মেয়ের বার্তা লেখা চিঠি নেটমাধ্যমে পোস্ট করলেন ডেভিড ওয়ার্নার, যা দেখে আবেগতাড়িত নেটাগরিকরা।

ঋদ্ধিমান সাহার করোনা ধরা পড়ায় আপাতত গোটা সানরাইজার্স হায়দরাবাদ শিবিরই নিভৃতবাসে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, ক্রিকেটারদের ফেরানোর ব্যাপারে তারা সরকারের থেকে কোনওরকম ছাড় চাইবে না। তবে কী ভাবে অন্য উপায়ে ফেরানো যায় তা নিয়ে বিসিসিআই-এর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

ইনস্টাগ্রামে ওয়ার্নার একটি ছবি পোস্ট করেছেন যেখানে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী-র পাশাপাশি তিন সন্তানের চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে। তলায় বড় মেয়ে আইভির লেখা বার্তা, “ড্যাডি, তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে এসো। আমরা তোমাকে মিস করছি। আমরা তোমাকে খুব ভালবাসি।”

ওয়ার্নারকে তাঁর মেয়েদের চিঠি। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ইনস্টাগ্রামে মেয়েদের চিঠিটি নিজের অনুসারীদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেছেন ওয়ার্নার। শিশুহাতে আঁকা একটা ছবির সঙ্গে ছোট্ট একটা চিঠি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে পাঁচজন মানুষের অবয়ব। পাঁচজন কে কে, সেটি খুব সুন্দর করে নির্দেশনা দেওয়া আছে—ড্যাড, মাম, আইভি, ইন্ডি, আইলা। বুঝে নিতে তো আর কষ্ট হয় না যে এখানে ‘ড্যাড’ মানে ওয়ার্নার, ‘মাম’ মানে ওয়ার্নারের স্ত্রী ও তাঁর তিন মেয়ের মা ক্যান্ডিস। আর আইভি, ইন্ডি আর আইলা হচ্ছে ওয়ার্নার-ক্যান্ডিসের তিন সন্তান।

ছবির ওপরের দিকে আকাশ আঁকা, আর পাঁচটি অবয়বের পাশে আঁকা ভালোবাসার চিহ্ন।

আইপিএল চলাকলীন পরিবারের সাথে হায়দারাবাদে ওয়ার্নার। পুরনো ছবি। ইনস্টাগ্রাম থেকে সংগৃহীত

বাবার প্রতি সন্তানের এমন ভালোবাসার প্রকাশ পাথরহৃদয়কেও কিছু আর্দ্র করার কথা, আর ওয়ার্নারের কেমন লাগছে তা তো অনুমান করাই যায়! ছবিটার পাশে ইনস্টাগ্রামে জুড়ে দেওয়া ক্যাপশনে বোঝা গেল, চিঠিটা তাঁর বড় মেয়ে আইভির লেখা। ওয়ার্নার লিখেছেন, ‘আমার আদরের আইভি!’ ক্যাপশনে স্ত্রীকে ট্যাগ করে পাশে হ্যাশট্যাগ দিয়ে লিখেছেন, ‘পরিবার।’

তবে আইপিএল তো স্থগিত হলো, অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়েরা ফিরবেন কীভাবে, তা নিয়ে সংশয়টা এখনো কাটেনি। ওয়ার্নারের তাঁর মেয়েদের কাছে ফিরে যাওয়ার অপেক্ষা আরও বাড়ছে তাতে।