তরল দুধের গুণগত মান নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে কুচক্রীমহল

সংসদীয় কমিটিকে মিল্ক ভিটা

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭:০৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২০, ২০১৯ | আপডেট: ৭:০৭:অপরাহ্ণ, আগস্ট ২০, ২০১৯

তরল দুধে ভেজালের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে মিল্ক ভিটা কর্তৃপক্ষ। এমনকি প্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম-অব্যস্থাপনার বিষয়টিও এড়িয়ে গেছে তারা। উল্টো প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, একটি কুচক্রীমহল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য মিল্ক ভিটাসহ তরল দুধের গুণগত মান নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য প্রচার করে সুনাম নষ্ট করছে। এ জন্য মিল্ক ভিটার বিক্রি কমে গেছে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের ছয় শীর্ষ কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে এ সব তথ্য উপস্থাপন করা হয় বৈঠকে।

এ সময় কমিটির সদস্যরা দেশীয় দুগ্ধ শিল্প রক্ষায় সব ধরনের ষড়যন্ত্র বন্ধের দাবি জানিয়ে এ শিল্পে কোনো ঘাটতি থাকলে তা পূরণের সুপারিশ করেন।

কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজের সভাপতিত্বে বৈঠকে সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, ওমর ফারুক চৌধুরী, ইসমাত আরা সাদেক, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, মাহবুবউল আলম হানিফ, মির্জা আজম, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এবং মো. জিল্লুল হাকিম অংশ নেন।

এ সময় বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের (মিল্ক ভিটা) সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

দুধের গুণগত মান নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় জনশক্তি নিয়োগের মাধ্যমে মিল্ক ভিটার সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে সুপারিশ করে কমিটি। মিল্ক ভিটাতে কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি থাকলে তা প্রতিকারের জন্য কঠোর নীতি প্রণয়নেরও সুপারিশ করেন কমিটির সদস্যরা। পাশাপাশি সিরাজগঞ্জের শাহাজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়িতে দুগ্ধ কারখানা পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেন তারা।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজ সাংবাদিকদের বলেন, দেশীয় দুগ্ধ শিল্পের সঙ্গে হাজার হাজার খামারি জড়িত। কিন্তু এই বিকাশমান শিল্প নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু এগুলোর তেমন কোনো ভিত্তি নেই। এটি দেশীয় শিল্প ধ্বংসের পায়তারা কিনা- তা খতিয়ে দেখার জন্য সুপারিশ করেছে কমিটি।

কমিটির সদস্য মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের ভুল থাকলে তা সংশোধনের সময় দিতে হবে। কিন্তু অবৈজ্ঞানিক তথ্য নিয়ে ব্যবসার ক্ষতি যাতে না হয় সেদিকে সরকারকে নজর দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।