তিন ফিট দূরুত্ব দাড়িয়ে, মাস্ক পরে নামাজ আদায় করা ইসলাম সমর্থন করে না: শাইখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:৩৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৫, ২০২০ | আপডেট: ৬:৩৩:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৫, ২০২০

মোঃ হায়দার আলী, গোদাগাড়ী, রাজশাহী: করোনা ভাইরাস কি কলেরা মত মহামারি, করোনা ভাইরাস কি ছঁয়াচে রোগ, কলেরা মহামারিতে যারা মারা যায় সে শহীদের মর্যদা পাবে, আগুনে পুড়ে ও পানিতে ডুবে মারা যায় সেও শহীদ, উপর থেকে নীচে পড়ে মারা যান সেও শহীদ, আল্লাহর পথে যদি কেউ মারা যান তবে তিনি শহীদ, কোন মহিলা যদি সন্তান প্রসাব করা জন্য মারা যান তিনি শহীদ, যে আল্লাহর পথে মারা যান তিনি শহীদ আল্লাহর দিন কে উচ্চু করতে গিয়ে মারা যান তিনি শহীদ।

কেউ কেউ বলেন, আমার দল থেকে মারা গেলে শহীদ, অন্য জন বলে আমার দল থেকে কেউ মারা যান সে শহীদ কোনটা শহীদ হবে বলা মসকিল, তবে একটা তো সঠিক হবে।

মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে রেলওয়ে বাজার আল জামায়াতুল আল সালাফিয়া মাদ্রাসার উন্নতি কল্পে আয়োজিত বিশাল মাহাফিলে প্রধান বক্তার বক্তব্যে শাইখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ এসব কথা বলেন।

তিনি কুরআন হাদিসের আলোকে আরও বলেন আমি ১৯৯০ ইং সাল থেকে ওয়াজ মাহফিল করচ্ছি কোন দিন আমি অপ্রয়োজনীয় বাক্য বলেছি এটা মনে পড়ে না, জনগনকে হাঁসিয়েছি সেটা মনে পড়ে না, নিজের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি সেটা মনে পড়ে না। কেছা কাহনি তো দূরের কথা। আমি আজকে আপনার উপকার করবো করবই ইনসাল্লাহ।

পৃথিবী সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর পূর্বেই মায়ের পেটে থাকা অবস্থায় যদি লিখা হয়ে থাকে তবে তাকে মহামারিতে ধরবে। আমাদের প্রিয় নবী বলেছেন, কোন সংক্রামক রোগ নেই, স্ত্রীরা স্বামীর নাম বললে নাকি স্বামী মারা যান, স্বামী মারা যাওয়ার পরপরই বলা হয় গয়না খুলে ফেলতে বলেন, মহিলা মানেই ধ্বাংশ, ক্ষতিকার এগুলি হিন্দুদের রীতিনীতি। আমাদের শেষ নবী বলেছেন, সুরা এখলাস তিন বার পড়লে কোরআন শরীফ একবার খতম দেয়ার নেকি পাবেন। তাই আপনার যখন সময় পাবেন তখনই পড়বেন।

আলোচনার এক অংশে তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস কলেরা মহামারি নয়। আল্লাহ মানুষকে সূষ্টির পূর্বেই তার জন্ম, মৃত্যূ, রোগ বালাই, তার রুজি, তার করোনা লিখে দিয়েছি। আপনি মাস্ক পরেন, বেলুন পড়েন, আর যদি পাথরের মধ্যেই লুকিয়ে থাকেন তবে আপনার কোন ক্ষমা নেই অপনাকে করোনা ধরবেই।

করোনা ভাইরাস, বালা, মসবত, বিপদ, তাই তিন ফুট দূরুত্বে দাঁড়িয়ে, বেলুন পড়তে হবে, মাস্ক পড়ে নামাজ পড়বেন, জুম্মার নামাজে ২০ জন, ওয়াকতিয়া মসজিদে ১০ জন নামাজ পড়তে হবে। অনেক বলেছেন মসজিদে আসবেন না।

করোনা ভাইরাস যার হয়েছে তার সাথে আমি ভাত খাব, তার গায়ে হাত দিব, সে মারা গেলে তাকে গোসুল করিয়ে দিব, জানাজা পড়াবো করোনা ভাইরাস আমাকে ধরলে আমি বলবো এটা আমার ৫০ বছর পূ্র্বে লিখা ছিল।

কুরআন মানুষের বুঝা উচিৎ, পড়া উচিৎ কোন বিপদ আসলে বেশী বেশী নামাজ পড়, দোয়া কর, দান খয়রাত কর, দ্রুত ক্ষমা চাও। করোনা ভাইরাস বিপদ হয় তবে তবে বেশী বেশী মসজিদ যাও যান, করোনা ভাইরাস যদি বিপদ হয় মসজিদ বন্ধ রাখা কোরআন হাদীসের বিরোধী, পৃথিবীর মানুষ যদি মসজিদ বন্ধ রাখার পক্ষে ফতোয়া দেন তার পরেও তা বাতিল বলে গন্য হবে। মাস্ক পরে সালাত, তিন ফিট দূরে দাঁড়ান, সারা পূথিবীর মানুষ মাস্ক পড়ে নামাজ পড়লে সরাসরি রাসুলের বিরোধী।