তীব্র গরম ও যানজটে ১৫টি পশুর মৃত্যু, অতিষ্ঠ যাত্রীরা

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭:০৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০১৮ | আপডেট: ৭:০৬:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০১৮

টিবিটি দেশজুড়েঃ শরীয়তপুর-চাঁদপুর ফেরিঘাটের শরীয়তপুর অংশের আলুরবাজার ফেরিঘাটে যানজট, খাবার সংকট ও তীব্র গরম ও ফেরি সংকটের কারণে গত ৩ দিনে ১৫টি গরু মারা গেছে।

গরমে অতিষ্ঠ বাসযাত্রী, ট্রাকচালক ও হেলপাররা। যানজট, খাবার সংকট ও তীব্র গরমে কোরবানির পশুগুলো অসুস্থ হয়ে মারা যাচ্ছে। একসঙ্গে প্রায় সাড়ে ৩শ’ যানবাহনের চাপ থাকায় খাবার সংকট দেখা দিয়েছে ফেরিঘাট এলাকায়।

বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, গত ২-৩ দিন যাবত কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে নদীর নাব্যতা হ্রাস পাওয়ায় ও ডুবোচরের কারণে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক ও মালবাহী ট্রাক শরীয়তপুর-চাঁদপুর ফেরি পার হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত শুরু করে।

কোরবানি উপলক্ষে শত শত গরুর ট্রাক এখন অবস্থান করছে আলুরবাজার ফেরিঘাটে। এই ফেরিঘাটে ‘করবী’, ‘কুসুমকলি’ ও সর্বশেষ গতকাল যুক্ত হয়েছে মাওয়া ফেরিঘাট থেকে আসা ‘কেতকি’ নামক একটি ফেরি। এই ৩টি ফেরি দিয়ে গাড়িগুলো পারাপারের কারণে প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

ফেরি সংকটের কারণে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ৩ শতাধিক ছোট-বড় যানবাহন। শত শত যানবাহন আটকা পড়ায় যাত্রী ও চালকরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। শুক্রবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত আলুরবাজার ফেরিঘাট প্রান্তে গরমে ১৫টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। মরে যাওয়া পশুগুলোর মালিক মো. রেজাউল করিম পশুগুলো নিয়ে ঝিনাইদহ থেকে চট্টগ্রাম যাচ্ছিলেন।

তিনি বলেন, আমার গরুগুলো শুধুমাত্র ফেরির কারণে, তীব্র গরম আর খাবার সংকটে মারা গেল। এতবড় ক্ষতি কীভাবে পূরণ করব বুঝতে পারছি না। আরেকজন মালিক মো. সালাহউদ্দিন পশুগুলো নিয়ে সাতক্ষীরা থেকে ফেনী যাচ্ছিলেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, পশুগুলো আমাদের সামনে মারা গেল অথচ আমরা কিছুই করতে পারলাম না। গরিব মানুষ কি করে খাব?

শরীয়তপুর আলুরবাজার ফেরিঘাটের বিআইডব্লিউটিসির ম্যানেজার আব্দুস সাত্তার জানান, আলুরবাজার- হরিণাঘাটে মাত্র ২টি ফেরি ছিল, শুক্রবার থেকে আরো ১টি ফেরি যোগ হয়ে প্রতিদিন একশ’ থেকে একশ’ ২০টি গাড়ি পারাপার হতে পারবে। এতে চাপ কিছুটা কমবে।