ত্রিশালের খুচরা বাজারে কমছে না আলুর দাম!, বিপাকে ভোক্তারা

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:৩৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০২০ | আপডেট: ৫:৩৩:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০২০

মমিনুল ইসলাম মমিন, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ত্রিশালের খুচরা বাজারে আলুর অতি উচ্চ দামে বিপাকে ভোক্তারা। সরকার ৩০ টাকা কেজি দর বেঁধে দিলেও বাজারে তার বাস্তবায়ন নেই। পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় খুচরা ব্যবসায়ীরাও বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

দরিরামপুর কলেজ বাজারে খুচরায় প্রতি কেজি কটি লাল ও ডাইমন্ড জাতের আলু ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। আর সাদা পাকড়ি ও লাল পাকড়ি জাতের আলু বিক্রি হয় ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি। যদিও কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের নির্ধারিত দর অনুযায়ী, খুচরায় ৩০ টাকা, পাইকারিতে ২৫ টাকা ও হিমাগার থেকে ২৩ টাকায় আলু বিক্রি হওয়ার কথা রয়েছে। পাইকারি আড়তে কেজিতে লাল পাকড়ি ও সাদা পাকড়ি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, ডাইমন্ড জাতের আলু ৩৮ টাকা ও কটি লাল জাতের আলু ৩৬ টাকা কেজিতে দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

ক্রেতা সাধারণ বলেন, বাজারে সব পণ্যের দাম অনেক বেশি যা আমাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। এতে নিম্ন-মধ্যবিত্তরা আরও চাপের মুখে। আলুর দাম বাড়ায় সাধারণ ভোক্তাদের অস্বস্তি বাড়ছে। এ অবস্থার অবসান চাই।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমরা ৩০ টাকা কেজি কিনতে না পারলে বিক্রি করব কীভাবে? পাইকারিতে প্রতিকেজি আলুর দাম পড়েছে ৪০-৪৫ টাকা। অন্যান্য খরচ যোগ করে এককেজি আলু ৫০ টাকার নিচে বিক্রি করা সম্ভব না। আলু পাইকারি বাজার থেকে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিতে প্রতিকেজিতে প্রায় পাঁচ টাকা খরচ হয়। এর মধ্যে রয়েছে কুলি খরচ, পরিবহন ভাড়া ও দোকান ভাড়া। তবে আলুর দাম পাইকারি বাজারে কমলে খুচরাতেও দাম কমে আসবে।

ত্রিশাল বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী আলমগীর কবির জানান, সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে আলু বিক্রি করা কঠিন। কারণ মৌসুমে আলু কেনা এবং সংরক্ষণসহ অন্যান্য ব্যয় বেড়েছে। বৃষ্টির কারণে আগাম আলু চাষ হয়নি। এ ছাড়া গত মৌসুমে আলু উৎপাদন কম হয়েছে। করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতার মধ্যে ত্রাণ বিতরণে আলুর ব্যবহার উল্লেখযোগ্যহারে বেড়েছে এ কারণে আলুর মজুদ শেষ হয়ে আসছে। তাছাড়া আলুর উৎপাদন কম হওয়া, বন্যায় নতুন আলুর রোপণ কমে যাওয়ার পাশাপাশি বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়া। এখন সবজির বাজার চড়া থাকায় আলুর চাহিদাও বেশি। এসব কারণে খুচরা বাজারে দাম বাড়ছে।