থাইল্যান্ড ভ্রমণে ইউএস বাংলার আকর্ষণীয় প্যাকেজ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:২১ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৫, ২০২০ | আপডেট: ১২:২১:পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৫, ২০২০

থাইল্যান্ড ভ্রমণে আকর্ষণীয় সব প্যাকেজ নিয়ে এসেছে ইউএস বাংলা এয়ারলাইনস। এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কিস্তিতে ভ্রমণের টাকা পরিশোধে ইএমআই সুবিধা দিচ্ছে বিমানসেবা প্রদানকারী এই প্রতিষ্ঠানটি।

৪ জানুয়ারি, শনিবার ইউএস বাংলার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, ভ্রমণকারীরা এখন থেকে দেশে ও বিদেশে বিমানের টিকিটসহ ভ্রমণের বিভিন্ন প্যাকেজ ২২টি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কিস্তিতে (ইএমআই) নিতে পারবেন।

পাশাপাশি চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত কম খরচে থাইল্যান্ড ভ্রমণের সুযোগ করে দিচ্ছে ইউএস বাংলা। সর্বনিম্ন দুইজন হলেই নেওয়া যাবে এই প্যাকেজ। বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে সোম, বুধ, শুক্র ও শনিবার ঢাকা থেকে ব্যাংককে ইউএস বাংলার চারটি ফ্লাইট চালু রয়েছে।

প্যাকেজগুলোতে জনপ্রতি মাত্র ২২ হাজার ৯৯০ টাকা দিলেই দুই রাত ও তিন দিনের জন্য থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক ভ্রমণ করা যাবে। এই অর্থের মধ্যেই যুক্ত থাকবে ঢাকা-ব্যাংকক-ঢাকা বিমানের টিকিট। এছাড়া জনপ্রতি ২৯ হাজার ৯৯০ টাকায় আসা-যাওয়ার টিকিটসহ ভ্রমণ করা যাবে ব্যাংকক ও পাতায়া। এই প্যাকেজে দেশটিতে থাকা যাবে চার রাত ও পাঁচ দিন।

ইউএস বাংলার আরেকটি প্যাকেজে রয়েছে চার রাত ও পাঁচ দিন ব্যাংকক ও ফুকেটে থাকার সুযোগ। এক্ষেত্রে আসা-যাওয়ার বিমান ভাড়াসহ জনপ্রতি পরিশোধ করতে হবে ৪১ হাজার ৯৯০ টাকা। অন্য একটি প্যাকেজে একই সময়সীমায় ভ্রমণ করা যাবে ব্যাংকক ও কেরাবি। ওই প্যাকেজে বিমান ভাড়াসহ জনপ্রতি দিতে হবে ৪২ হাজার ৯৯০ টাকা।

ব্যাংকক ছাড়াও কলকাতা, চেন্নাই, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর ও গুয়াংঝৌ ভ্রমণে বিভিন্ন প্যাকেজ এনেছে ইউএস বাংলা।

প্রতিষ্ঠানটির গণসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, “আমাদের থাইল্যান্ড প্যাকেজ ২০২০ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে চালু হবে। পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ড সুবিধা বর্তমানে চালু আছে এবং আগামীতেও চলবে। নির্দিষ্ট কয়েকটি ব্যাংকের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে টিকিট কিনলে ছাড়ের ব্যবস্থা আছে। পাশাপাশি তিন ও ছয় মাসের ইএমআই সুবিধাসহ নানা উপহারও রাখা হয়েছে।”

ইউএস বাংলার সঙ্গে চুক্তিযুক্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমেই শুধু ক্রেডিট কার্ড ও ইএমআই সুবিধা নেওয়া যাবে। ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে-ব্র্যাক ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, সাউথ-ইস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামিক ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, লংকা-বাংলা ফিন্যান্সসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।