দৃষ্টি নন্দন হয়ে উঠছে কুমিল্লা বাগিচাগাও তিন গম্বুজ বড় মসজিদ

শাহজাদা এমরান শাহজাদা এমরান

কুমিল্লা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৭:২৩ অপরাহ্ণ, মে ১১, ২০২১ | আপডেট: ৭:২৩:অপরাহ্ণ, মে ১১, ২০২১

অপূর্ব কারুকাজে দৃষ্টি নন্দন ভাবে গড়ে উঠছে কুমিল্লা নগরীর বাগিচাগাঁও তিন গম্বুজ বড় জামে মসজিদ। এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা মিলে মিশে গত পক্ষকাল ধরে এ উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছে। একশত পঞ্চাশ বছরের প্রাচীন এই মসজিদে জুমা নামাজ পড়তে আশে পাশের এলাকা থেকেও অসংখ্য মুসল্লী শুক্রবার এসে ভীর করে।

কুমিল্লা নগরীর বাগিচাগাও ঐতিহাসিক তিন গম্বুজ বড় মসজিদটি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ১০নং ওয়ার্ডে অবস্থিত। প্রায় ১৫০ বছর আগে স্থানীয় জনহিতকররা এই মসজিদ নির্মাণ করেন। জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি মসজিদে অনেক মুসল্লি বেড়েছে।

একতলার মসজিদ দুতালা হয়ে তিন তলার কাজ চলমান আছে। সেই পুরতান মসজিদ উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে মসজিদ উন্নয়ন কমিটি। শত বাধা অতিক্রম করে আজ এই মসজিদ আগের চেয়ে চারগুন বড় হয়েছে। আগে মুসল্লি ছিল ১০০-১৫০ জন আর এখন মুসল্লি হয় প্রায় তিন হাজার । মসজিদে এসি লাগানো আছে ১১টি।

মসজিদের বড় হওয়ার পাশাপাশি খরচও অনেক বেড়েছে। মসজিদের দান বাক্স থেকে যেই পরিমান অর্থ আসে, সেই অর্থ দিয়ে মসজিদের ইমাম, মোয়জ্জেম এবং খাদেম এর বেতন দেওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে। মসজিদের প্রতি মাসে বিদ্যুত বিল আসে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকার মত। পাশাপাশি মসজিদ উন্নয়ন এবং মেরামত খরচ আছে। এসব খরচ বর্তমান মসজিদ উন্নয়ন কমিটি কোনভাবে সকলের সহযোগিতা নিয়ে চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে মসজিদের আয়ের উৎস বৃদ্ধির জন্য মসজিদের পূর্ব পাশে এবং পুকুরের দক্ষিণ পারে ১০টি দোকান নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়, যা মসজিদের মুসল্লিদের সহযোগিতায় বাস্তবায়ন এর রুপে পরিণত হয়েছে। এসব উন্নয়ন কাজে কিছু কুচক্রি ব্যাক্তি বাধাদানে সর্বদা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। হয় মামলা দিয়ে না হয় কোন ভুল তথ্য দিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে হয়রানী করে যাচ্ছে। যদিও সেই বাধা অতিক্রম করে মসজিদের উন্নয়ন এগিয়ে যাচ্ছে।

এই মসজিদ চারতলা পর্যন্ত হওয়ার পরিকল্পনা আছে। তার উপর তিন গম্বুজ নির্মান হবে আধুনিক কারুকাজ এর মাধ্যমে। অনেক ধর্ম প্রান মুসল্লি সহযোগিতা করছেন যার জন্য কাজ খুব দ্রæত এগিয়ে যাচ্ছে। এক কথায় বলতে গেলে এই মসজিদ বড় হচ্ছে অত্র এলাকার সাধারণ মানুষ এবং ধর্মপ্রান মুসল্লিদের ভালবাসায়।