দেশে করোনা টিকা উৎপাদনের বিষয়ে যাচাই-বাচাই চলছে : গাজীপুরে স্বাস্থ্য সচিব

প্রকাশিত: ৭:২৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৬, ২০২১ | আপডেট: ৭:২৯:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৬, ২০২১

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সচিব আব্দুল মান্নান বলেছেন, দেশে করোনা টিকা উৎপাদনের বিষয়ে যাচাই-বাচাই চলছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য নিয়মমতো হলে তবেই অনুমোদন দেয়া হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষকে বিনামূল্যে এই ভ্যাকসিনের টিকা দিতে চাচ্ছেন এবং যেহেতু বিনামূল্যে দিতে যাচ্ছে কোনো প্রাইভেট সেক্টর কোনো কোম্পানী সরকারের টিকাদেয়ার আগেই তারা টিকা দেয়া শুরু করতে পারবে না।

করোনার টিকা দেয়ার জন্য যারা মাঠে কাজ গুলো করবে তাদেরকে যথাযথ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তাদেরকে ইনসেনটিভ দেয়ার জন্য বলেছি। যারা ট্রেইনার তাদেরকেও আমরা প্রশিক্ষণ দিয়েছি। ট্রেনিংয়ের জায়গা গুলো আমাদের সিভিল সার্জন থেকে শুরু করে সকলেই এটার সাথে সম্পৃক্ত। ভ্যাকসিন দেয়ার অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। পৃথিবীর যে কোন দেশের চেয়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা বেশি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভেকসিন হিরো। কাজেই আমাদের যেহেতু সবার চেয়ে পূর্ব অভিজ্ঞতা বেশি। আমরা খুবই সুন্দরভাবে আশাবাদী। সারাদেশে আমরা এটা শুরু করতে পারবো। যথাযথ ভাবে সম্পন্ন করতে পারবো। মোবাইলেই সব কিছু পাওয়া যাবে। মোবাইলেই মেসেজ দিয়েই সব কিছু করবো। কারা রেজিষ্ট্রেশনভুক্ত হবে এটা মেসেজেই পাবে। এ ব্যবস্থা আমরা করেছি এবং কাজটা প্রায় শেষের দিকে।

তিনি শনিবার দুপুরে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

সচিব বলেন, কে কিভাবে কখন শুরু করবে কি সুযোগ পাবে প্রাইভেট সেক্টর এটা সরকার নির্ধারন করে দিবে। অনেক শর্ত দিয়ে এটা এরকম না যে ডিসপেনসারিতে পাওয়া যাবে। তাহলে দেশের মানুষের জন্য হুমকি হতে পারে। এগুলো সরকার পুরোটাই যথাযথ ভাবে মনিটর করবে। সরকারই দায়িত্ব পালন করবে। এখানে মানুষের জীবন নিয়ে যে কেউ যা ইচ্ছা তা করবে এটা সরকার হতে দিবে না।

পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক ডা. বেলাল হোসেন, ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবু হোসেন মোঃ মঈনুল আহসান, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোঃ হাফিজ উদ্দিন প্রমুখ।

এর আগে সচিব শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সভাকক্ষে স্বাস্থ্য বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেন। এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ তাজউদ্দীন আহমদের নামে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।