দোয়ারাবাজারে হাওরপাড়ে সবুজ বিপ্লব

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:৫৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৯ | আপডেট: ৮:৫৫:অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৯

মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী, দোয়ারাবাজার : সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের আলীপুর, কাংলার হাওরের বালুচড়ে এবারও সবুজ বিপ্লব ঘটেছে।

সবজি বেচাকেনা ও পরিচর্যায় এখানকার কৃষক-কৃষাণীরা বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রতিবছর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওপাড়ের মানুষজন শস্য চাষ করে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠছেন। এছাড়া সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শীতকালীন সবজির আশাতীত ফলন হয়েছে।উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় সবজির আবাদ আরো সম্প্রসারণ হয়েছে।

কিন্ত সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় ব্যবাসায়ীরা গ্রামাঞ্চল থেকে সবজি ক্রয় ও বাজারজাত করতে পারছেনা। এ জনপদে সবুজের বিপ্লব ঘটলেও হিমাগার না থাকায় এবং যাতায়াত অবস্থার করুণ দশার কারণে টাটকা সবজির সঠিক দামও পাচ্ছে না চাষীরা। এ ক্ষেত্রে লাভবান হচ্ছে মধ্যস্তভোগী পাইকারি ক্রেতারা।

সবুজের আবাদখ্যাত আলীপুর, কাংলার হাওর এলাকায় বিভিন্ন রকমের সবজির চাষাবাদ হয়েছে। বেগুন, শসা, করলা, বরবটি, শিম, চিচিঙ্গা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, লাউ, আলুসহ বিভিন্ন রকমের টাটকা বাহারিী সবজি উৎপাদন হয়েছে আলীপুর ও আশপাশের এলাকায়। প্রতিটি হাটবাজারে এখন টাটকা সবজি বেচাকেনার ধূম পড়েছে। এখানকার উৎপাদিত সবজি স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে প্রতিনিয়ত ট্রাক বোঝাই করে বিভাগীয় শহর সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাচ্ছে। এছাড়া ওই ইউনিয়নের টেংরাটিলা, বৈঠাখাই, হাছনবাহার, নূরপুর, টিলাগাঁও, মহব্বতপুরসহ হাওরপাড়ে ব্যাপকভাবে এবছর সবজির চাষাবাদ হয়েছে। শীতকালীন আগাম সবজি চাষাবাদ করে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছেন কৃষকরা।

সবজি চষাবাদ কৃত এলাকায় অনেক কৃষকরা জমিতে বছরে তিনটি সবজির আবাদ করে সংসারে ব্যয় নির্বাহ করার সক্ষম হয়েছেন। শুধু সবজি চাষাবাদ করে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকায় সবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী আবাদ হয়েছে।