দ্বিতীয় পর্যায়ে অনুমোদন পেয়েছে আরও ৫৬টি উমরা এজেন্সি

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:৫৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৬, ২০২০ | আপডেট: ৫:৫৯:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৬, ২০২০

পবিত্র উমরা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ৫৬টি উমরা এজেন্সি অনুমোদন পেয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আমিনুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বেশকিছু শর্তসাপেক্ষে অনুমোদপ্রাপ্ত এসব এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়।

এর আগে ১৬ নভেম্বর প্রথম পর্যায়ে ১৬৭টি অনুমোদিত উমরা এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়। দুই ধাপে প্রকাশিত অনুমোদনপ্রাপ্ত উমরা এজেন্সির সংখ্যা ২২৩টি।

অনুমোদিত উমরা এজেন্সিগুলোকে শর্তসাপেক্ষে উমরা যাত্রীদের সৌদি আরব পাঠানোর জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শর্তগুলো হলো-

জাতীয় হজ ও উমরা অনুচ্ছেদ ২২.২.১, ২২.২.২, ২২.২.১২ অনুযায়ী যথাসময়ে উমরা যাত্রী প্রেরণ, তাদেরকে যথাযথ সেবা প্রদান এবং যথাসময়ে দেশে ফেরত আনতে হবে। ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরি তারিখের মধ্যে প্রেরিত উমরা যাত্রী সৌদি আরবে গমন এবং বাংলাদেশে ফেরত আসার বিস্তারিত প্রতিবেদন পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকা বরাবর দাখিল করতে হবে।

জাতীয় হজ ও উমরা নীতি-২০১৯ এর অনুচ্ছেদ নং ২২.২.৩ অনুযায়ী অনুমোদিত বৈধ এজেন্সি সরকার অনুমোদিত নির্ধারিত কোটার অতিরিক্ত উমরা যাত্রী প্রেরণ করতে পারবে না।

জাতীয় হজ ও উমরা নীতি- ২০১৯ এর অনুচ্ছেদ নং ২২.২.৪ অনুযায়ী কোনো উমরা যাত্রী যথাসময়ে দেশে ফেরত না এলে সংশ্লিষ্ট উমরা যাত্রীর দেশে ফেরার নির্ধারিত তারিখের ১ মাসের মধ্যে নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর ও ফেরত না আসার বিস্তারিত কারণ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকা এবং কাউন্সিলর (হজ), বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দা বরাবর দাখিল করতে হবে।

জাতীয় হজ ও উমরা নীতি- ২০১৯ এর অনুচ্ছেদ নং ২২.২.৫ অনুযায়ী উমরা যাত্রীদের জন্য সৌদি আরবে ব্যয়িত সকল প্রকার অর্থ এজেন্সির নিজস্ব ব্যাংক হিসাব হতে আইবিএন এর মাধ্যমে প্রেরণ করতে হবে এবং আইবিএন একাউন্ট নম্বর ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে অবশ্যই অবহিত করতে হবে।

উমরা এজেন্সি কর্তৃক উমরা প্রসেসিং ফি ও প্রদেয় সকল সেবার নির্ধারিত ব্যয় উল্লেখপূর্বক বিভিন্ন ক্যাটাগরির উমরা প্যাকেজ ঘোষণা করবে এবং এর কপি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও হজ অফিস, ঢাকায় প্রেরণ নিশ্চিত করবে। প্যাকেজ ঘোষণা না করলে উমরা এজেন্সিকে উমরা যাত্রী প্রেরণের অনুমতি প্রদান করা হবে না।

উমরা লাইসেন্স নবায়নের সময় আগের বছর (২০১৯-২০২০) নির্ধারিত কোটার অতিরিক্ত যাত্রী প্রেরণ করা হয় নাই এবং প্রেরিত সকল যাত্রী দেশে প্রত্যাবর্তন করেছে মর্মে অঙ্গীকারনামা দাখিল করতে হবে।

কোনো এজেন্সির তথ্য ভুল কিংবা অসত্য প্রমাণিত হলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট এজেন্সির তালিকা বাতিলের ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

এসব শর্ত ভঙ্গ করলে জাতীয় হজ ও উমরা নীতি-২০১৯ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট উমরা এজেন্সি পরবর্তী বছরের জন্য বৈধ তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে এবং জাতীয় হজ ও উমরা নীতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

https://www.hajj.gov.bd/wp-content/uploads/2020/11/%E0%A6%93%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B9-%E0%A6%8F%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE.pdf