দ্বিতীয় বারের মতো আন্তর্জাতিক সুপার ব্রান্ড সম্মাননা অর্জনের আনন্দ ভাগ করতে দি বাংলাদেশ টুডে চট্টগ্রাম ব্যুরোতে এলিট পেইন্ট

এস. এম. আকাশ এস. এম. আকাশ

ব্যুরো চিফ,চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ৭:৪০ অপরাহ্ণ, মার্চ ১, ২০২১ | আপডেট: ৭:৪০:অপরাহ্ণ, মার্চ ১, ২০২১

‘সুপার ব্র্যান্ড’ হিসেবে পর পর দ্বিতীয় বার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের সুখবর সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এলিট পেইন্ট আয়োজন করেছে একটি ‘থ্যাংকস গিভিং প্রোগ্রাম’। এটি বানিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের হয়ে ঐতিহ্যবাহী, জন প্রতিনিধিত্বকারি জাতীয় সংবাদ মাধ্যম ও দেশের শীর্ষ ইংরেজি দৈনিক ”দি বাংলাদেশ টুডে” সহ চট্টগ্রামের স্বনামধন্য সংবাদ সংস্থা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও শিল্প প্রতিষ্ঠান নিয়ে আয়োজিত হয়েছে। ১লা মার্চ সোমবার দি বাংলাদেশ টুডে চট্টগ্রাম ব্যুরো অফিসে উপস্থিত হয় এলিট পেইন্ট পরিবার ।

এলিট পেইন্ট এর সিনিয়র ম্যানেজার-স্ট্র্যাটেজিস, এম এ মুকিত চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত গিভিং থ্যাংকস অনুষ্ঠানে “দি বাংলাদেশ টুডে” এর চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান এস এম আকাশ কে এলিট পেইন্ট এর চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ এবং পরিচালক এলিট পেইন্ট রাবেজ আহমেদ, রাহিল আহমেদ ও সাজির আহমেদ এর পক্ষে কে ফুলেল শুভেচছা ও কেক উপহার প্রদান করেন এলিট ব্যান্ড প্রমোটরস টিম।

পুরো আয়োজনে সাথে ছিলেন এলিট পেইন্ট এর ব্র্যান্ড প্রমোটরস মিস.কানিজ হুমায়রা সুবাহ ও মিস.আফরিদা আহমেদ ও আইটি ইনচার্জ সাফায়ত হোসেন মজুমদার ।

দি বাংলাদেশ টুডে চট্টগ্রাম ব্যুরোর দায়িত্বশীলদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্টাফ রিপোর্টার ও বিজ্ঞাপন ম্যানেজার এস এম আরজু, মহানগর প্রতিনিধি, মুনমুন আহমেদ, মহিউদ্দিন ইব্রাহিম সাগর, সাইদুর রহমান সাকিব ও ইকবাল হোসেন ।

সংক্ষিপ্ত আলোচনায় আলোচকরা ‘দি বাংলাদেশ টুডে’ কে অবিহিত করেন, বাংলাদেশের সর্বপ্রথম পেইন্ট কোম্পানি হিসেবে ১৯৫২ সালে স্থাপিত হয় এলিট পেইন্ট। নিত্য নতুন ধ্যান-ধারণা, পণ্যসামগ্রী এবং আন্তর্জাতিক পণ্য বিপণনের মোড়ক নিয়মিত প্রকাশের ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠানটি অর্জন করে তাদের প্রাথমিক সাফল্য। দেশের একমাত্র স্থানীয় পেইন্ট ও কোটিং ম্যানুফেকচারার যাদের উৎপাদন ব্যবস্থা ডেকোরেটিভ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল, মেরিন ও পাউডার কোটিং এবং কনস্ট্রাকশন কেমিক্যাল দিয়ে সমৃদ্ধ। এটিই বাংলাদেশের একমাত্র এবং বর্তমানে ‘আইপিইএন’ দ্বারা স্বীকৃত পরিবেশ বান্ধব “লেড সেইফ” রং সরবরাহকারী পেইন্ট কোম্পানি। এলিট পেইন্ট উন্নয়ন এবং দেশের মানুষের সবসময়ের সঙ্গী হিসেবে থাকবে যখন দেশ মধ্য অর্থনীতি থেকে সমৃদ্ধ, উন্নত অর্থনীতির দিকে ধাবিত হচ্ছে।

আয়োজনের মধ্য পরবর্তী পর্যায়ে কেক কাটার ব্যাপারটি সম্পন্ন হয় এবং কর্মকর্তাদের ফুলের তোড়া হাতে তুলে দেয় এলিট পেইন্টের ব্র্যান্ড প্রোমোটরসরা। অত্যন্ত আকর্ষণীয় এলিট পেইন্ট এর তরফ থেকে দেওয়া উপহার সামগ্রী অনুষ্ঠানটিকে দেয় এক অসাধারণ প্রোজ্জ্বল রূপ। পরে এলিট পেইন্ট এর সাফল্যের দীর্ঘ এ যাত্রায় যারা সর্বদা পাশে ছিল এবং সহযোগীতায় নিয়োজিত ছিল তাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে আয়োজনটি শেষ করেন এলিট পেইন্ট পরিবার।