ধর্মপাশায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ধর্ষক গ্রেফতার

মোঃ ইমাম হোসেন মোঃ ইমাম হোসেন

ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৯:০৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২১, ২০২০ | আপডেট: ৯:০৭:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২১, ২০২০
প্রতীকী ছবি

সুুুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার রাতে ওই ধর্ষিতা নিজে বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্মপাশা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

গত ২০ অক্টোবর দুপুরে উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগসুুুত্রে ও ধর্ষীতার পারিবারিক সুুুত্রে জানা যায়,ওই কিশোরী (১৬) গত ২০ অক্টোবর দুুপুরে তার চাচার বসত ঘরে ঘুুমিয়ে ছিল। ওই দিন তার চাচাসহ পরিবারের লোকজন বাড়িতে না থাকায় ধর্ষক সনদ আদিত্য ঘরে প্রবেশ করে ওই কিশোরীর মুুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

ধর্ষক সনদ আদিত্য (৩০) কিশোরগঞ্জ জেলার ধারা গ্রামের হরিচরন আদিত্যর ছেলে। সনদ আদিত্য প্রায় দু’বছর হয় জয়শ্রী এলাকার গোপীনগর গ্রামে বসবাস করছেন বলে জানা যায়।
এদিকে ধর্ষণের ঘটনার পর পরই বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে স্থানীয় ইউপি সদস্য মৃনাল সরকারের বিরুদ্ধে ধর্ষীতার বাবা ও স্থানীয় সচেতন মহলের পক্ষ থেকে বিস্তর অভিযোগ উঠেছে।

ধর্ষিতার বাবা ও ধর্ষতা নিজে জানান, ধর্ষণের ঘটনার পর দিন ইউপি সদস্য মৃনাল বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং কখনো প্রকাশ না করার কথা বলেন।পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে শুক্রবার রাতে থানায় এসে ধর্ষীতা নিজে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

জয়শ্রী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সদস্য মৃনাল সরকার ওই ধর্ষণের ঘটনাকে অস্বীকার করে বলেন, ওই কিশোরী ও সনদ আদিত্যর মধ্যে মোবাইল ফোনে কথা বলাকে কেন্দ্র করে পারিবারিক ভাবে কলহের সৃষ্টি হয়েছিল। পরে তিনি তা নিস্পত্তি করে দিয়েছেন।

ধর্মপাশা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা হয়েছে। ধর্ষক সনদ আদিত্যকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধামাচামা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।