ধর্মপাশায় গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ২

প্রকাশিত: ৯:১৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২১, ২০২০ | আপডেট: ৯:১৭:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২১, ২০২০

ইমাম হোসেন, ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানাধীন এক গৃহবধূকে (২০) ধর্ষণের অভিযোগে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত সারে ১১টার দিকে ধর্ষিতা নিজেই বাদী হয়ে অভিযুক্ত দুই জনকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মধ্যনগর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর পরই উপজেলার মধ্যনগর থানাধীন বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের গোলগাও বাজারে অভিযান চালিয়ে ইছামারী গ্রামের মৃত রমুজ আলীর ছেলে মো.ওয়াহেদ আলী (২৮) ও একই গ্রামের মৃত সোনামিয়ার ছেলে আমিরুল ইসলাম (২৭)নামের এ মামলার দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গত রবিবার রাত নয়টার দিকে অভিযুক্ত ওয়াহেদ আলীর বসতঘরে ইছামারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের রূপনগর গ্রামের ওই গৃহবধূ তার স্বামীকে নিয়ে টাঙ্গাইল জেলার সখিপুরে বসবাস করেন। গত রবিবার একই ইউনিয়নের বাঙ্গালভিটা গ্রামে তাদের বাবার বেড়াতে আসার উদ্দেশ্যে তার ছোট বোনকে নিয়ে রওয়ানা হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের গোলগাও বাজারে আসার পর তার দুসম্পর্কের আত্মীয় আসামী ওয়াহেদ আলীর সাথে দেখা হয়। তখন ওয়াহেদ আলী তারা দুুুবোনকে বাড়ি পৌঁছে দেয়ার কথা বলে তার বাসায় নিয়ে যায়। তার স্ত্রী পরিবারের অন্য লোকজন বাসায় না থাকার সুুযোগে ওই গৃহবধু ও তার ছোট বোনকে একটি কক্ষে বিশ্রাম করতে দেন। পরে বড় বোনকে তার নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে ভিতর থেকে কক্ষের দরজা বন্ধ করে দিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষন করে। এ সময় বড়বোনের ডাক চিৎকার শুনে ছোট বোন দরজা খোলার চেষ্টা করলে ভিতর থেকে ভয়ভীতি দেখায় ধর্ষক ওয়াহেদ আলী।
অভিযোক্ত আমিরুল ধর্ষন করতে ওয়াহেদকে সহায়তা করেছে বলে জানা গেছে।

পরে রাতেই তার ঘর থেকে বের হয়ে মোটর সাইকেলযোগে দুবোন তার বাবার বাড়ি বাঙ্গালভিটা গিয়ে তার বাবাসহ পরিবারের লোকজনকে বিষয়টি জানান।

মধ্যনগর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আলমামুন এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে বুধবার সন্ধ্যায় বলেন, মামলার পর পরই অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেফতার করে বুধবার দুপুরে আদালতের নির্দেশে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।পাশাপাশি ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।