ধর্ষকদের ‘পিটিয়ে হত্যা’য় পূর্ণ সমর্থন মিমির

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:২৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২, ২০১৯ | আপডেট: ৯:২৫:অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২, ২০১৯

ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে ধর্ষণ-কাণ্ড নিয়ে উত্তাল সমগ্র দেশটি। সেই ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সোমবার অভিনেত্রী জয়া বচ্চন বলেছেন, ধর্ষকদের প্রকাশ্যে পিটিয়ে ফেলা উচিৎ। তাঁর এই মন্তব্যে রাজ্যসভায় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

এবার সেই প্রসঙ্গেই জয়াকে সমর্থন করলেন পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মিমি বলেন, ‘আমি ওনাকে সমর্থন করি। আমি মনে করি যে ধর্ষকদের সুরক্ষা দিয়ে আদালতে নিয়ে যাওয়া কিংবা বিচারের জন্য অপেক্ষা করা উচিৎ। তৎক্ষণাত শাস্তি দেওয়া দরকার।’

অভিনেত্রী তথা সাংসদ মিমি আরও বলেন, ‘মন্ত্রীরা এমন কোনও কড়া আইন আনুন, যাতে শুধু কাউকে ধর্ষণ করতে গেলে ১০০ বার ভাববে, তাই নয়, কোনও মেয়ের দিকে খারাপ দৃষ্টিতে তাকানোর আগেও চিন্তা করবে।

অন্যদিকে, ডিএমকে সাংসদ পি উইলসনের পরামর্শ ধর্ষকদের খোজা করে দেওয়া উচিত। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার আগে দোষীর সব সম্পত্তি বিক্রি করে খোজাকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা উচিত। দেশে যতজন এই ধরণের অপরাধে দোষী তাদের নামের তালিকা প্রকাশ করা উচিত।

রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু মহিলাদের উপর নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর কথায়, ‘এই নক্কারজনক অপরাধ বন্ধের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও মানসিকতায় বদল ঘটানোর চেষ্টা করতে হবে। তারপরই চরম শাস্তির দিকে এগনো উচিত। ‘রাজ্যসভায় কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ বলেন, ‘কোনও সরকার বা রাজনীতিবিদই চায় না এই ধরণের ঘটনা ঘটুক।’ দেশে এই ধরণের অপরাধ বাড়ায় নিজের চিন্তা ব্যক্ত করেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা।

এদিন লোকসভা এবং রাজ্যসভায় সরকার ও বিরোধী সব পক্ষের সাংসদরাই এই ধর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। প্রয়োজনে আরও কঠোর আইন আনতে সরকার প্রস্তুতবলে জানানো হয়। রাজ্যসভায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, ‘মহিলাদের উপর নির্যতন ও প্রতিরোধে কড়া আইন আনতে সরকার আলোচনায় রাজি।’ হায়দরাবাদের ঘটনার সমালোচনা করে রাজনাথ বলেন, ‘দোষীদের কড়া শাস্তি হবে।’

বুধবার রাতে তেলেঙ্গানায় পশু চিকিৎসককে ধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় তোলপাড় হচ্ছে গোটা দেশ। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।