নতুন মোটরযান আইনে জরিমানা বাড়ানোর খবরটি ‘গুজব’

প্রকাশিত: ৩:৫২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১, ২০১৯ | আপডেট: ৩:৫২:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১, ২০১৯

কয়েকদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ‘নতুন মোটরযান আইন (সংশোধনী)’ নিয়ে একটি খবর ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে পরিবহন সেক্টরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে পরিবহন সেক্টরে নতুন একটি আইন প্রণয়ন ও জরিমানা বাড়ানোর যে খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রটানো হচ্ছে তা বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য চক্রান্ত বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, নতুন মোটরযান আইন তৈরিই হয়নি। আমাদের আইন হচ্ছে ‘সড়ক পরিবহন আইন’। এটার নামই তো ভুল। এগুলো অহেতুক, নামটা যেমন ভুল, তেমনি এসব জরিমানার হারও মনগড়া। স্বার্থান্বেষী মহল বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য মালিক-শ্রমিককে উস্কে দেওয়ার জন্য চক্রান্ত ও পায়তারা করেছে।

আজ রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মোটরযান আইন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটা গুজব রটানো হচ্ছে যে এখানে বিভিন্ন বিষয়ে জরিমানা বাড়ানো হয়েছে। আসলে এটা তো মোটরযান আইন না, এটা সড়ক পরিবহন আইন।

পরে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকৃতপক্ষে সড়ক পরিবহন সেক্টরে ‘নতুন মোটরযান আইন (সংশোধনী) ২০১৯’ নামে কোনো আইন নেই। ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ কার্যকর করতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে বিধিমালা প্রণয়নের কাজ করছে।

‘নতুন মোটরযান আইন (সংশোধনী) ২০১৯’ কে গুজব উল্লেখ করে অপপ্রচার ও গুজরে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে ২৬ সিটের মিনিবাস ৪১ সিট করা নিয়ে এক প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখানে যে একটা ফাঁকি আছে এবং এ ধরনের অপকর্ম হয়ে আসছে। সর্ষের মধ্যেও ভূত আছে। বিষয়গুলো বন্ধ করার জন্য শক্তিশালী একটা টাস্কফোর্স করার জন্য প্রস্তাব আছে।

সাংবাদিকদের নবম ওয়েজ বোর্ডের সুপারিশ মন্ত্রিসভায় কেন পাস হচ্ছে না- এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা ক্যাবিনেটে পাস করার কোনো বিষয় নয়। এটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সামারি আকারে যাবে, সেটা রেডি হচ্ছে। যে কোনো দিন প্রধানমন্ত্রীর কাছে যেতে পারে। সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত আসবে।