নাঙ্গলকোটে গলায় ছুরি ধরে মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

শাহজাদা এমরান শাহজাদা এমরান

কুমিল্লা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৫:৩৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৮, ২০২১ | আপডেট: ৫:৩৬:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৮, ২০২১
প্রতীকী ছবি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে গলায় ছুরি ধরে মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর নাম তানিয়া আক্তার (১৫)। সে শ্রীকান্ত দাখিল মাদরাসার ৯ম শ্রেণির ছাত্রী।

ধর্ষণের শিকার তানিয়া আক্তারের বাবা জানান, ১২ এপ্রিল (সোমবার) আমার মেয়ে প্রকৃতির ডাকে বাথরুমে গেলে তাকে পাশের বাড়ির কাউছার মজুমদার (২৬) মুখ চেপে ধরে আমার মেয়েকে জোর করে তার তুলে নিয়ে যায়। আমার মেয়ে চিৎকার চেচামেচি করলে সে আমার মেয়ের গলায় ছুরি ধরে। এরপরেও আমার মেয়ে ধস্তাধস্তি করতে থাকে তারপর ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে আমার মেয়ে নাকে আঘাত পায়।

তিনি আরও জানান, ধর্ষণের পর আমার মেয়েকে সে ফেলে রেখে চলে গেলে আমার মেয়ে চিৎকার দিলে আমি বাড়ি থেকে দৌড়ে যাই। আমি গিয়ে আমার মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাই। অসুস্থ মেয়েকে আমি ধর্ষক কাউছার মজুমদারের বাড়ি নিয়ে যাই। তারা আমাকে বিচারের বদলে আমার মেয়ের জামা কাপড় পানি দিয়ে ধুয়ে দিয়ে প্রমাণ লোপাট করে। তারা আমাকে কোন প্রতিউত্তর না দিলে আমি থানায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিলে তারা আমাকে বলে থানায় যাইতে হবে না, আমরা দেইখা লমু বলে হুমকি দেয়।

কথা বলার এক পর্যায়ে তানিয়ার বাবা আব্দুল মান্নান কান্নায় ভেঙে পড়ের । কান্না জড়িত কন্ঠে বলে উঠলেন আইজ বাপ হইয়া মাইনষের কাছে মাইয়ার ধষর্ণের বিচার চাওন লাঘে। এই কাউছার এর আগেও আমার মেয়েকে বিরক্ত করছে, মেয়ে আমারে জানালে আমি তারে হুশিয়ার করে দেই। কিন্তু সে আমার সর্বনাশ করেই দিল। আমি তার বিচার চাই।

ধর্ষণের বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মো: বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, আমার থানায় এই বিষয়ে একটি মামলা হয়েছে। তার ডাক্তারি পরীক্ষা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার তানিয়া কোর্টে ম্যাজিস্ট্রটের কাছে তার জবান বন্দি দিয়েছে। এখন শুধু অভিযুক্ত কাউছারকে গ্রেপ্তার করা বাকি আছে। আমরা তাকে গ্রেপ্তার তৎপরতা চালাচ্ছি।