নিখোঁজের পাচঁ দিন পর সন্ধান মিললো দুই সন্তানের জননীর

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:৪১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৩, ২০২১ | আপডেট: ৫:৪১:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৩, ২০২১

দিদারুল আলম, খাগড়াছড়ি(গুইমারা)প্রতিনিধি: অবশেষে নিখোঁজের পাচঁ দিন পর সন্ধান মিলেছে খাগড়াছড়ি গুইমারা থেকে নিখোঁজ দুই সন্তানের জননী আমুই মারমার(২৬)।

গত ৮ই এপ্রিল নিখোঁজের পর থেকে আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ সহ স্থানীয়দের মাঝে চাঞ্চল্য দেখা দিলেও, ১৩ এপ্রিল মঙ্গলবার এ প্রতিনিধির হাতে আসে এ ঘটনার সঠিক তথ্য।হাতে পাওয়া নোটারী পাবলিক এর তথ্য মতে প্রেমের টানে স্বইচ্ছায় নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বৌদ্ধ ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন আমুই মারমা।

পূর্বের নাম পরিবর্তন করে শাহানাজ আক্তার হিসেবে মাটিরাংগার পলাশ পুর এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে সাহাদাতকে নিয়ে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয় সে।বর্তমানে চট্রগ্রামে দুজনে সংসার করছেন সুখে,তার রেখে যাওয়া সন্তান দুজন বড় বোন উমাপ্রু মারমার কাছে আছে।এমনটা জানান তার বড় বোন উমাপ্রু মারমা।

তিনি জানান,স্বামী পরিত্যক্তা দুই সন্তানের জননী তার বোন আমুই মারমা ঠিকাদার তাজুল ইসলামের সাইডে দৈনিক শ্রমিক হিসেবে কাজ করতো। গত ৮ এপ্রিল মেয়ের জন্য ঔষধ কিনতে গিয়ে গুইমারা বাজার থেকে নিখোঁজ হয় সে। আর বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন খোজাঁখুজিঁ করে, না পেয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরী করেন তার বিষয়ে।আজ শুনেছেন মাটিরাংগার সাহাদাত নামে এক লোকের সাথে সে বিয়ে করেছে সে। এ বিষয়ে তাদের কোন অভিযোগ নেই।আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ ও স্থানীয়রাসহ ঠিকাদার তাজুল ইসলামের নামে নিখোজেঁর বিষয়ে সমালোচনা ও সন্দেহ করে।

আমুই মারমা রামসুবাজার এলাকার মংতুকার্বারী পাড়ার অংগ্য মারমা মেয়ে। আর সাহাদাত মাটিরাংগার পলাশ পুর এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।

এঘটনায় আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফের সংগঠক নিশান চাকমা বলেন,ঠিকাদার তাজুল ইসলাম ও তার কাজের লোকজন নিজেদের হীন উদ্দেশ্যে আমুই মারমাকে নিয়ে গেছে ।সাহাদত নামে লোকটা তাজুল ইসলামের কাজ করতো। সে সব কিছু জানে। মেয়েটার দুজন সন্তান আছে, তাদের কি হবে।মেয়েটাকে ফেরৎ না দিলে এলাকাবাসী তাজুলকে রাস্তার কাজ করতে দিবেনা।

অপরদিকে ঠিকাদার তাজুল ইসলাম জানান,আমুই মারমা প্রেমের টানে ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করেছে সাহাদাতকে।
শ্রমিকরা তাদের মাঝিদের মাধ্যমে কাজে আসে। কাজ শেষে বেতন নিয়ে চলে যায়।এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। অহেতুক তার কাজটা বন্ধ করে দিয়েছে ইউপিডিএফ।

এ বিষয়ে গুইমারা থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান,নোটারী পাবলিকের কাগজ পেয়েছেন তবে নিখোঁজ আমুই মারমা এখনো পুলিশের সাথে যোগাযোগ করেনি। নিখোঁজ ডায়েরী অনুযায়ী পুলিশের তদন্ত চলমান রয়েছে।