নেপালি প্রতিবেদন ‘অবান্তর’ : ইউএস-বাংলা

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪:২৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০১৮ | আপডেট: ৪:২৮:অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০১৮

ত্রিভুবন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিএস২১১ ফ্লাইট বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে নেপাল সরকারের প্রকাশিত অনুসন্ধানী রিপোর্টকে ‘অবান্তর’ বলে মন্তব্য করেছেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম। সোমবার দুপুরে বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ব্ল্যাক বক্সের তদন্ত কমিটির রিপোর্ট কি বের হয়েছে? ওই প্রতিবেদনের কোথাও কি লেখা আছে যে, এটা ব্ল্যাক বক্স প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে?

নেপালি সংবাদমাধ্যম কাঠমাণ্ডু পোস্ট-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয় পাইলট আবিদ বিমান চালানোর সময় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন, তার একের পর এক ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়েছে বিমান অবতরণের আগে ত্রিভুবনের কন্ট্রোল টাওয়ারে তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন।

এই প্রতিবেদনকে অবান্তর আখ্যা দিয়ে কামরুল ইসলাম বলেন, আমরা কিসের জন্য অপেক্ষা করছি? একটা আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা ব্ল্যাক বক্সের ওপর একটা রিপোর্ট করবে। সেই রিপোর্টটা কি বের হয়েছে? এটা তো নেপালের তরফ থেকে আসবে না। আসবে আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিটির তরফ থেকে। আর এটাকে তদন্ত রিপোর্ট বলারও সুযোগ নেই। এটা একটা অবান্তর রিপোর্ট। ইউএস বাংলা ও পাইলট আবিদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই এটা হয়েছে।

বিমান চালানোর সময় পাইলট আবিদ সুলতান ক্রমাগত ধূমপান করেছেন বলেও দাবি করা হয় ওই রিপোর্টে। কাঠমাণ্ডু পোস্ট লিখেছে, আবিদ ধূমপায়ী ছিলেন- এই তথ্যও তিনি ইউএস বাংলার কাছে গোপন করেন।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১২ মার্চ কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৬৭ জন যাত্রী ও চারজন ক্রু নিয়ে ইউএস-বাংলার বিএস-২১১ উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়। আরোহীদের মধ্যে ৫১ জনের মৃত্যু হয়, যাদের ২৭ জন ছিলেন বাংলাদেশি এবং ২২ জন ছিলেন নেপালি। দুর্ঘটনার পরপরই দু’দেশেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এমনকি দুর্ঘটনার পরপরই ককপিট এবং কন্ট্রোলরুম এটিসির মধ্যকার কথোপকথন ফাঁস হয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা নিয়ে চলে নানান আলোচনা। বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট বেসরকারি বিমান সংস্থা ও নেপালের কর্মকর্তারা পাল্টাপাল্টি দোষারোপও করেন।